Saturday, January 9, 2016

এদিক ওদিক

১। 
- মামা! তোমার মিত্তির-গাঙ্গুলি কোচিং সেন্টারের আইডিয়াটা ক্লিক করল? বিজ্ঞাপনে সাড়া কেমন?
- গম্ভীর কেস।
- গম্ভীর? আবেদনপত্র জমা পড়েনি? 
- কোচিং সেন্টারে দু'টো কোর্স...। 
- "হাউ টু বি ফেলুদা" আর "হাউ টু বি জটায়ু"। তাই তো?
- প্রিসাইসলি।
- দু'টোতেই পঞ্চাশটা করে সীট রেখেছিলে, তাই তো?
- ঠিক।
- বিজ্ঞাপন অনুযায়ী অ্যাপ্লাই করার শেষ দিন তো আজ ছিল।
- ঠিক।
- অ্যাপ্লিকেশন কেমন জমা পড়েছে?
- "হাউ টু বি ফেলুদা"র জন্য দেড় হাজার অ্যাপ্লিকেশন। 
- দারুণ তো। কাঁপিয়ে দিয়েছ তো। আর "হাউ টু বি জটায়ু"র জন্য? ক'টা?
- একটা।
- অনলি ওয়ান আবেদনপত্র? সে কী মামা! তাহলে একটা কোর্স ক্যান্সেল? 
- নো স্যার। সে সাহস পাচ্ছি না।
- হোয়াই? পঞ্চাশটা সীটের জন্য একটা অ্যাপ্লিকেশন! কোর্স চালাবে কী করে?
- চালাতে হবে।
- কেন? চালাতে হবে কেন?
- কারণ সেই একমাত্র আবেদনকারীর নাম হল শ্রী প্রদোষ চন্দ্র মিত্র।


২। 
ফেলু মিত্তিরের চোখের চিকচিকে,
ওর কথার ধারে, 
ওর অনুসন্ধিৎসু কপালের ভাঁজে,
ওর যুক্তির জাল পাতার স্টাইলে,

সেই মানুষটির ছায়া স্পষ্ট দেখতে পেলেন তিনি।
ফেলুর মিত্তিরের মধ্যে নিজের লালমোহনকে খুঁজে পেলেন শ্রী শার্লক হোম্স।

No comments:

তিব্বতি মাদুলি

- মনখারাপ? - আজ্ঞে। প্রচণ্ড। টেরিফিক লেভেলে মনখারাপ। - সে তো বুঝলাম। কিন্তু কেন? জয়েন্টে ফেল? মিনিবাসের পকেটমারিতে সত্তর টাকা জল...