Tuesday, August 25, 2009

"নাবিক বিন্দু থেকে" প্রসঙ্গে : অরিত্র সান্যাল



Bongpen'এর সাজানো ভূমিকা এবং দুশ্চিন্তা:
কবি জাত'টাই খতরনাক! যা-তা whole Square! এইরকমই এক বিধঘুটে ঢ্যাঙ্গা কবি' পাল্লায় আমার life প্রায় vaporise হতে চলেছে! সেই College'er First year'এর মেস-বাড়ি থেকে পাকড়াও করেছে, তবে থেকে জিন্দগী' কলার ধরে এইসা রাম-নাচন দ্যাখাচ্ছে, বাপ রে বাপ!
মেস'এর প্রথম রাত্তির এখনো স্পষ্ট মন'. নতুন জায়গা, ভেজা দেয়াল, বেখাপ্পা যত ছেলে, বিড়ি-সিগারেট -পুরনো বই -পচা চানাচুর'এর গন্ধ' ভরা ঘর, যাকে বলে Cadaverous পরিস্থিতি! রাত তখন দুটো কি তিনটে , বহু চেষ্টায় সবে একটু ঘুম জাতীয় ব্যাপারটা যার হচ্ছে, এমন সময় খাট সুদ্ধু উত্তাল ঝাঁকুনি! ঘুম vanish, আতঙ্কে চিল্লিয়ে উঠলাম ভূমিকম্প!!!
চোখ স্পষ্ট ভাবে মেলতে দেখি এক সিঙ্গারা-fic মুখ দুলছে আমার সামনে, লাট্টু মার্কা চোখ-pyramidisque নাক-চ্যাপ্টা হাসি মুখে!
" ভূমিকম্প নয়, ভূমিকম্প নয়, কবিতা, Poetry, আমার লেখা.. একদম হাত' গরম, Just concieve করলুম, শুনবে?", বুঝলুম, কবি আমার brand new গৃহ-সঙ্গী!
মনে মনে বললাম "শালা", মুখে বললাম, "শোনাও"!
অমনি আমার পাশে গ্যাট হয়ে বসে ইস্রী-বিশ্রী কি সব শুনিয়ে গ্যালোএক টানা ১৫ মিনিট বকে চললো,তারপর "ক্যামন দিলুম" মার্কা হাসি display করে গা এলিয়ে দিলোঘুমোবার তাগিদ' full-force' বললাম, " ব্যাপক, especially last line'টা তো যাকে বলে very very মোলায়েম!"
" পাঠক কে hit করবে বলছো? তুমি তো বেশ সমঝদার দেখছি হে! এই গতকাল একটা ব্লাউজ'এর হুক নিয়ে কবিতা লিখেছি, শুনবে?" কবি-আত্মা তখন charged up! সেই আমার ঘুম-চটকানি শুরু 'টি বছরে স্রেফ কবিতা inject করে করে ইনসমনিয়াক করে ছেড়েছে
মেস ছেড়ে ভাবলাম হাঁপ ছেড়ে বাঁচা গ্যালো! ছিলুমো বেশজমিয়ে চাকরি-বাকরি করছি, কবিতা-বাজি থেকে দুরে এসে ঘুম-টুম দেদার হচ্ছে!হজম-শক্তি improved! এমন সময় মাঝ-রাতে ঘ্যাচাং-ফু telephone. আতঙ্কে উঠে হেল্লো বললাম, ভাবলাম বস কা বুলাওয়া বুঝি! ঠিক তক্ষুনি Phone'এর অপার থেকে স্নিগ্ধ declaration, " বস নয় বস নয়, কবিতা, আমার লেখা..এক্কেবারে latest, fershly baked যাকে বলে.. হে.. হে.., এই লিখে উঠলাম, শুনবে?"
মনে মনে বললুম "শালা", মুখে বললাম, "শোনাও"!
কবি একটানা পড়ে গ্যালো ফোনে'এর ওপার থেকেসমস্তটাই আমার চেনা! আমারি তো! কন্ঠস্বর, শব্দ, হাসি, ঘৃনা, ভালবাসা,চুলকানি, allergy; cubic millimeter ধরে চেনা সমস্তটুকুকবি, আমার কবি' লেখা! মেস বাড়ি এখনো কলকাতায় ভূত'এর মতো বসে, কবি সেইখান থেকে পড়ে চলেছে কবিতাসেই আগের মতো! কবিতা পড়া শেষ করে কবি জিগ্গেস করলে, "ক্যামন?"
" ব্যাপক, especially last line টা তো যাকে বলে very very মোলায়েম!", আমি বললাম "
***********************************************************
এই Post'টি লিখেছেন: অরিত্র সান্যাল, কবি,সাংবাদিক, আমার প্রাক্তন মেস-বন্ধু এবং বন্ধু! তার প্রথম কবিতা' বই'এর সম্ভাব্য নাম "নাবিক বিন্দু থেকে"! সেই নিয়েই তার লেখা কিছু কথাBongpen' কেন? আমার দাবি'তে! কিসের দাবি? বই-মেলার আধ খাওয়া বেগুনি'!
***********************************************************
Frustration এর থেকে বড় আত্মমগ্নতা হয় না যাকে বলে self-indulgence বা বলা ভালো আত্মমগ্নতার এলাকা শুনতে এলাহী
একবার একটা স্বরোচিত শব্দ ব্যবহার করে ইতস্তত পিটার অরলোভস্কি মাথা চুল্কে শরণাপন্ন হলেন বন্ধুবর গিন্সবার্গের তখন দুই পুরুষের প্রেম-পর্যায় মধ্য গগনে এমন বেপথু ভালোবাসার রোদে ধুলো ওড়ে বড্ডো সবাই অর্থ খুঁজতে যায় গিন্সবার্গ বললেন, ইতস্তত করে লাভ কি? শব্দটা হয় কি না হয় জানার থেকে সহজে বলা ভালো পিটার অরলোভস্কি লিখলেই হয়
একে বলে অনুপ্রেরণা শব্দেরবৃষ্টির ঝির-ঝির কিন্তু শব্দ শব্দই মাত্র কোনও অর্থ আছে কি সেভাবে? Sound কে অনবরত word করে ফেলার প্রবনতা আমাদের থাকেই সবাই অর্থ খোঁজে
কোনটা পূব দিক?
না যেদিকে সূর্য ওঠে
তো সূর্য টা ভাই কোন দিকে ওঠে?
সেই তো পূব দিকেই
এই হোলো অবস্থা
নাবিক বিন্দু থেকে শব্দ গুচ্ছটা কেমন লাগে? শুনতে? কিছু মনে হয় কি? তিনটে শব্দই তো অর্থবহ
বলুন দিকি দ্রিঘাংচু
আর দেখবেন টিভি ঝিলমিলিয়ে ছাতে বসেছে কাক
দীর্ঘ পুঞ্জীভুত পদ্য জলে ঠেলে ফেলে দেওয়ার ইচ্ছে ছিলো হয়তো
এই হয়তো বিন্দুর নাবিক আসলে ডুবতে জানার মধ্যেই তো আছে অভিযানের চুড়ান্ত মুহুর্ত
বা হয়ত বা নাবিকের নির্ধারিত বিন্দু থেকে দেখা
তাতে কুয়াসা আরো বেশি জাদুর প্রতি এক অলস গোলামী আর এক ভাসা ভাসা জীবন
যদি অর্থ খোঁজেন, দেখবেন এভাবে বেঁচে থাকার কোনো সত্যি কোনো মানে নেই
আর এই মানে নেই-এর অনেক সংকলনে থাকুক নাবিক বিন্দু এই থেকে
(সংযোজন: অরিত্র সান্যাল'এর কিছু লেখা : 1, 2)