Monday, December 13, 2010

বড়া পাও বনাম আলুর চপ

আলোচনায়: ভেঙ্কট গুরু/সাম্য দত্ত

লেখক পরিচিতি:

ভেঙ্কট গুরু :
আপামর মুম্বাইকার এক তামিল বাংলা বিলাসীও বটে আদ্যোপান্ত ভারতীয় চাকুরে, ব্লগীয়ে ভালবাসেন রাস্কিন বন্ড, বিকেল বেলা ও আড্ডা

সাম্য দত্ত:
রাঁচী'র প্রবাসী বাঙালি কর্ম সূত্রে বর্তমানে চেন্নাইতে খাদ্য রসিক গাইয়ে, ব্লগীয়ে ভালবাসেন কথা বলতে এবং বন্ধুদের

Wednesday, December 8, 2010

কলেজ স্ট্রিট'য়ের খাওয়া-দাওয়া





কলেজ স্ট্রিট ঘেঁষে যে চার বছর'এর মেস-phase কেটেছে, সেই সময়কর ফুড-হ্যাবিট নিয়ে কিছু কথা ব্লগ রেকর্ডে ঢুকিয়ে রাখা উচিত। ফর ফিউচার রেফারেন্স। বিশেষ করে মমতা যদি সত্যিই কলকাতা'কে লন্ডনে কনভার্ট করতে পারেন (দিদি'র একটা প্রোগ্রেস থিম আছে না? কলকাতা কে লণ্ডন, দার্জিলিং কে সুইজারল্যান্ড এবং দীঘা কে গোয়া?), তাহলে এসব খাওয়ার-দাওয়ার'গুলো ফসিল-স্মৃতি হয়ে যাওয়ার হেভী চান্স আছে। তখন আমি গ্র্যাজুয়েসন করছি ক্যালকাটা উনিভার্সিটি থেকে। থাকছি আমহার্স্ট স্ট্রীট পোস্ট অফিসের উল্টো দিকের এক ছোট্ট গলি সীতারাম ঘোষ স্ট্রীট'এর এক মেস বাড়িতে। সেই সময় খাওয়া-দাওয়ার প্যাটার্ণ ছিল বেশ সোজা সাপটা। রাত তিন'টের আগে ঘুমতাম না, তাই বেলা এগারো'টার আগে ঘুম ভাঙ্গতো না, তাই জলখাবারের কোনও পাট কখনোই ছিল না। কখনো কখনো মেস'এর নিচের অমিত'এর চা'এর দোকান থেকে ডিম-পাউরুটি অবশ্য খাওয়া হত, তবে সাধারণত ব্রেকফাস্ট ব্যাপারটা উহ্যই থাকত। দুপুর'এর খাওয়া এবং রাত'এর খাওয়াটা মেস'য়েই হত।
অতএব কলেজ স্ট্রীট'এর ফুড-হাণ্ট চলতো শুধু সন্ধ্যে বেলার খাওয়াটুকুর জন্য। (সন্ধ্যে বেলার খাওয়া কে কি বলে? নাস্তা?টিফিন?জলখাবার?)। তখন অবশ্য পকেট মেপে চলতে হত, কাজেই বিকেলের টিফিন'এ জমিদারী করার স্কোপ থাকত না। তবে তার মধ্যেই উত্তর কলকাতার এই অঞ্চলে কম ভ্যারাইটি চেখে দেখিনি। সেইসময়কার প্রিয় দশ'টা সান্ধ্য-খাদ্য'এর লিষ্টি নীচে করলাম।

Sunday, December 5, 2010

গুগল ঠাট্টা



ইন্টারনেটে একটা মস্করা বহু প্রচলিত আছে।

প্রশ্ন: -"How do you spell God?"

উত্তর: "G-O-O-G-L-E"


রজনীকান্ত ("তুমি নির্মল কর" খ্যাত নয়, "শিবাজী" খ্যাত) নয়, মারাদোনা'র হাতও নয়, যুগ'এ ঈশ্বরত্ব যদি কাউকে গছানো যায় তবে সে হচ্ছে গুগল। কারণ স্পষ্ট।

আমার এক বন্ধু, গুগল'য়ে কর্মরত হয়েও এই ধারণা'টা শুনলেই উসখুস করে উঠতো। মাঝেই মাঝেইবলতো "টেকনোলজি কখনো ভগবান হতে পারে না ব্রাদার, মানুষের চ্যালেঞ্জ ফেস করার ক্ষমতাটেকনোলজির নেই"।

সেই বন্ধুর নাম সুহেল, সুহেল বারুজ্জ্যে। এই সেদিন সুহেল একটা ছোট্ট একটা মেল পাঠালো: