Friday, January 8, 2016

বাপ্পার স্বপ্ন

স্বপ্নের এই একটা অ্যাডভান্টেজ। নিজের ঘুমন্ত শরীরে কম্বল টেনে দেওয়া যায়। পিঠের যে অঞ্চলে যে জেগে থাকতে হাত পৌঁছোয় না, সেখানে চুলকে দেওয়া যায়।

নিজের নিষ্পাপ ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে বড় ভালো লাগল বাপ্পার। ঘুমন্ত বাপ্পার চুলে বিলি কেটে দিয়ে ব্যালকনিতে রাখা চেয়ারটায় এসে বসল বাপ্পা।

সিগারেটটা ধরাতে যাবে এমন সময় চোখ গেল রাস্তায়। স্ট্রিট ল্যাম্পের নিচে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছে বাপ্পা। ব্যালকনি থেকে হাঁক দিতেই হল...

- কী ব্যাপার? তুমি ওখানে কী করে? স্বপ্নে তো আমি ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ালাম।
- স্বপ্নবাপ্পা মানেই কি বাপ্পার স্বপ্নের বাপ্পা হতে হবে? তোমার দেশলাইটা ছোঁড় দেখি। সিগারেটটা ধরাই।

**
এমন সুন্দর স্বপ্ন দেখছিল মান্তাই। দারুণ স্বপ্ন। বাপ্পাদা তার বাড়ির পাশের ল্যাম্পপোস্টটার নিচে অপেক্ষা করছে। তাও মাঝরাতে। নাইটড্রেসের ওপরেই একটা নীল শাল জড়িয়ে বাপ্পাদার সঙ্গে লুকিয়ে দেখা করতে চলে গেছিল মান্তাই। কোথা থেকে একটা দেশলাই মুখের ওপর এসে পড়ল আর স্বপ্নটা গেল ভেঙ্গে। কী মুশকিল। দেশলাই আবার এলো কোথা থেকে?

**
সকাল সকাল এমন কাঁচা মিঠে স্বপ্নের আমেজ নিয়ে ঘুম থেকে উঠতে বাপ্পার যে কী ভালো লাগছিল। তবে স্বপ্নটা একটু গুলিয়ে যাচ্ছিল। কাকে যে দেখেছে ঠিক মনে করতে পারছিল না। শুধু একটা হলুদ ঘোলাটে আলো আর নীল শাল মেশানো একটা আবছায়া রয়ে গেছে মনের ভিতর। স্বপ্নের আমেজেই একটা সিগারেট ধরাতে ইচ্ছে হল বাপ্পার; খাটে বসেই।

পকেট, বিছানা বা বিছানার পাশের টেবিল হাতড়েও দেশলাইটা খুঁজে পেল না বাপ্পা।

1 comment:

Anonymous said...

Leave the colour blue...n let her live

এমন একটা সোমবার

সহকর্মী মিহি সুরে ডেকে বলবেন, "ভাই, তোমার জন্য আজ পান্তুয়া এনেছি, বাড়িতে বানানো৷ তোমার বৌদির স্পেশ্যালিটি৷ লাঞ্চের পর আমার টেবিলে একবা...