Skip to main content

Posts

Showing posts from 2021

অভি, মানুদা আর নিউ ইয়ার

- অভি, লেট বাই থার্টি ফাইভ মিনিটস। - সরি মানুদা৷ মাইরি, সরি৷ আসলে নিউইয়ারের মুখে লোকজনের এত হুজুগ৷ ট্র‍্যাফিকে ফেঁসে গিয়েই..। - বাজে কথা না বাড়িয়ে আগে চা চাপিয়ে দে। - আহ, তোমার বাড়িতে এলাম৷ কোথায় তুমিই স্টোভ জ্বালিয়ে..। - গুরুজনের মুখে ওপর বেশি কথা বলতে নেই।  - আচ্ছা, পাঁচ মিনিট দাও। একটু জিরিয়ে নিই। বাপ রে! বাসে সে যে কী ভিড়!  - চায়ের সঙ্গে একজোড়া অমলেটও ভেজে আনিস, কেমন? ফ্রিজে আছে ডিম৷  - উফ, তোমার সেবা করতে এলাম নাকি? - রাতের বিরিয়ানিটা আমিই খাওয়াব তো৷ অত তিতিবিরক্ত হচ্ছিস কেন। - বলছিলাম, আর কেউ আসছে নাকি মানুদা? - সে কী! আমার বাড়িতে আর আসবেটা কে৷ আত্মীয়স্বজন বলতেও তুই৷ বন্ধুবান্ধব বলতেও তুই৷ তুই কি নিউ ইয়ার্স ইভ পার্টি এক্সপেক্ট করে এসেছিস এ'খানে? তা'হলে পত্রপাঠ তোর ওই গদাই দত্তদের তাসের আড্ডায় চলে যা৷ চাই কী সে'খানে দু'দাগ দামী মদও জুটতে পারে৷ মাগনায়।  - গদাই দত্তের আড্ডায় আজ সিঙ্গল মল্টের পাশাপাশি শুনেছি বিপুল সেনও থাকবে৷ স্টার অ্যাট্রাকশন!  - থিয়েটার অভিনেতা বিপুল সেন? - গতবছর তিনটে সিনেমাও রিলিজ করেছে ওর৷ তিনটেই সুপারহিট৷  - গদাই দত্ত আসর জমাতে জানে বটে৷  তা'

চাষবাস

জটিল কিছু যদি কেউ সহজ ভাষায় ফুসমন্তরে বুঝিয়ে দেন, তা'হলে তার কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকা ছাড়া কোনও উপায় থাকে না৷ সে'দিক থেকে, য়ুভাল নোয়াহ্ হারারি সাহেবের প্রতি আমি বেশ খানিকটা ঋণী। আজ হঠাৎ ভদ্রলোকের কথা ফের মনে পড়ল কারণ ওঁর স্যাপিয়েনস বইটার মধ্যে যে চ্যাপ্টারটা আমার সবচেয়ে প্রিয়, সে'টা আজ আর একবার পড়লাম৷ বলে রাখা ভালো, 'এগ্রিকালচারাল রিভোলিউশন' নিয়ে লেখা ওই কয়েক পাতায় আমি মাঝেমধ্যেই ফেরত যাই। ঠিক যেমন ভাবে মাঝেমধ্যেই ঘুরেফিরে আগন্তুক সিনেমার সেই দৃশ্যটা দেখি যে'খানে মনমোহন মিত্র আর পৃথ্বীশ সেনগুপ্তর তর্কের চোটে অনীলা আর সুধীন্দ্রর ড্রয়িংরুম সরগরম হয়ে ওঠে৷ আগন্তুক যখন প্রথম দেখি, তখন আমি নেহাতই ছেলেমানুষ। তবে সে সংলাপ এতটাই তীক্ষ্ণ  যে সেই স্কুলবয়সেও মনমোহনের ভক্ত হয়ে উঠতে সময় লাগেনি। কিন্তু সে সংলাপ নিয়ে 'বলে কী রে ভাই' মার্কা বিস্ময় বোধ করেছি অনেক পরে। স্যাপিয়েনসের ওই চ্যাপ্টারটার মতই, ওই দৃশ্যটা বারবার দেখেও ক্লান্তি আসেনা। আমার মত বহু ছাপোষা মানুষ নিশ্চয়ই মনমোহনের বাগ্মিতায় বারবার মুগ্ধ হয়েছেন। ফেসবুক টাইমলাইন বা ইউটিউবে সে দৃশ্য মাঝেমধ্যেই চলেও আসে। সভ্যত

ফিস্টি

পিকনিক ব্যাপারটা মন্দ নয়৷ তবে শীতের রাতে ছাতের ফিস্টি অনেক বেশি সুবিধেজনক মনে হত। ভোরবেলা কাগজের বাক্স থেকে ডিমসেদ্ধ আর মাখন-পাউরুটি বের করার চেয়ে ঢের ভালো হলো সন্ধ্যেবেলা এক ঠোঙা মুড়ি-বেগুনি হাতে বন্ধুর বাড়ির ছাতে উঠে যাওয়া৷ তাছাড়া পিকনিকের জন্য বাড়তি প্ল্যানিংয়ের দরকার৷ কোথায় যাওয়া হবে, কী'ভাবে যাওয়া হবে, কতজন যাবে। বাজারের ফর্দ তৈরি, বাজার করা, বাসনপত্র ভাড়া করা। ব্যাডমিন্টনের র‍্যাকেট, ক্রিকেট ব্যাট সমেত বিভিন্ন রকম খেলার সরঞ্জাম জোগাড় করা৷ বড়দের জন্য হাউজি খেলার ব্যবস্থা, ছোকরাদের লারেলাপ্পা হিন্দি গান চালানোর জন্য স্পীকার৷ আর সর্বোপরি পিকনিক স্পট বুক করা৷ হাজারো হ্যাপা৷ চড়ুইভাতি নিয়ে রচনা-টচনা লিখতে দিব্যি লাগলেও, কিন্তু আদত ব্যাপারটা সামাল দিতে মাথার ঘাম পায়ে না ফেললেই নয়৷   পাড়ার ফিস্টিতে বরং সে'সব জটিল ছক কষা নেই৷ দুপুরের খামোখা হুজুগে রাতের জম্পেশ ফিস্টি নেমে যায়৷ বিকেলে খেলার মাঠ থেকে কেউ সোজা গেল মুর্গি কিনতে৷ কেউ গেল আলু, পেঁয়াজ, টমেটো গোছের খুচরো জিনিসপত্র জোগাড় করতে৷ ফাঁকিবাজ বন্ধুটি স্রেফ ট্যুয়েন্টি নাইনের তাস জোগাড় করেই খালাস৷ যার বাড়ির ছাতে পিকনিক, বাসনপত্র-রা

শ্যামল ডিলান তুকতাক

- এই যে৷ - আরে, তুমি? কী আশ্চর্য! - চলে এলাম, ইচ্ছে হল৷ অবাক হওয়ার কী আছে! - বসো। - বসি, কেমন? - একশো বার৷ - থ্যাঙ্ক ইউ। - এই বেঞ্চটা বড় মায়ার৷ তাই না? - যা শীত৷ বাপ রে৷ হাড় কনকনের মধ্যে মায়াটায়া টের পাচ্ছি কই৷ - হেহ্৷ - অনি কেমন আছে? - দিব্যি৷ শখের প্রাণ৷ আজকাল হঠাৎ বাগানের শখ চেপেছে৷ হপ্তায় দু'দিন অফিস কামাই করছে পেয়ারের গাছেদের দেখভাল করতে৷ চাকরী বেশিদিন টিকলে হয়৷ - লোকটা খ্যাপাটেই রয়ে গেল৷ - আর নিপা? - গোটা দিন ক্লাসে ছাত্র পড়ানো৷ সন্ধের পর নিজের পড়াশোনা, রিসার্চ৷ - ও'ও কিন্তু কম খ্যাপাটে নয়৷ - খ্যাপাটে না হলে ওই শীতের রাত্রে এই পাহাড়-পাড়ার এই বেঞ্চিতে বসে আর এক খ্যাপার সঙ্গে কেউ গল্প জোড়ে? - তাই তো। আচ্ছা, নিপা এখন কী করছে বলো তো? - মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করছে৷ কানে ইয়ারফোন। চোখ বোজা৷ আর তোমার অনি? সে কোথায়? - শাল জড়িয়ে ছাতে দাঁড়িয়ে বহুক্ষণ৷ ওল্ড মঙ্কের ঝিমঝিম। আর যথারীতি কানে ইয়ারফোন৷ চোখ বোজা৷ - আহ্। অফ কোর্স৷ তাই তো আমাদের দেখা হল৷ - বেঞ্চিটা সত্যিই মায়ার। - ব্যাপারটা দিব্যি। - আর খানিকটা ভূতুড়ে৷ - হেহ্ হেহ্। ** - তা'হলে ছুটি শেষ! - শেষ৷ - কাল থেকে ফের শহর৷ দৌড়ঝাঁ

লংঅফ থেকে লাদাখ

- কী রে, বসে পড়লি কেন..চ'! ওঠ! ক্যুইক! - কোথায়? - এরপর এখনও তিনটে স্পট দেখা বাকি আছে৷ সব কভার করতে করতে সন্ধ্যে হয়ে যাবে যে..। - উঠতেই হবে? - বাহ্ রে৷ মাপা হিসেব এ'দিক ও'দিক হয়ে গেলে যে ক্যালামিটি৷ - সাইট সিয়িং যে অফিস করার থেকেও ট্যাক্সিং হয়ে যাচ্ছে রে৷ আর্লি মর্নিং, ডেডলাইন, ডিসিপ্লিন৷ - আহ, বোঝার চেষ্টা কর। ফ্যান্টাস্টিক সব জায়গা দেখতে হবে তো। আলো পড়ে গেলেই ঘোরাঘুরি মাটি৷ - প্লীজ, ডাকওয়ার্থ ল্যুইস লাগিয়ে দু'একটা জায়গা ড্রপ কর৷ ব্যাগে কাপ নুডলস আছে৷ ফ্লাস্কে গরম জল৷ টী ব্যাগসও আছে৷ আজ লাঞ্চ আর টী ক্লাসিকাল হিসেবে ক্রিকেট মাঠেই হোক না৷ - কিন্তু লাদাখ ঘুরতে এসেছি...এত সব এক্সোটিক জায়গা..বাদ দেব? - গ্রাউন্ড কন্ডিশন দেখেছিস? এর চেয়ে বেশি এক্সোটিক ক্রিকেট সেটিং সহজে পাবি? - উম..পাব না৷ তাই না? - মাইনাস টেম্পারেচার, চারদিকে পাহাড়, হাইক্লাস অ্যাকশন৷ সোয়েটার জ্যাকেটের ওপর শাল জড়িয়ে, মাঙ্কিটুপি চাপিয়ে পাশে এসে বস। - বসে যাব? - আলবাত বসে যাবি। - সা..সাইট সিয়িং? - এর চেয়ে উচ্চমার্গের সাইট সিয়িং আর কী হবে বল৷ ইডেনে এমন মেজাজ পাবি? - একটা স্পেয়ার কম্বল এনেছিলাম গাড়িতে৷ মাদুরের মত

ল্যাদ ও লাদাখ

লেপের তলে শুয়ে, ঢাউস জানালার বাইরে; পাহাড়ে দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে থাকাটা অতি স্বাস্থ্যকর একটা ব্যাপার৷ দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে নির্ঘাৎ আমায় বয়স আড়াই মিনিট কমেছে৷ খাদের দিকে তাকিয়ে বুক ঢিপঢিপ নেই, কয়েক কোটি ছবি তুলে মোবাইল বোঝাই করা নেই৷ শুধু তাকিয়ে থাকা৷ আর অঙ্ক স্যারের ভাষায়; "গোটা সিচুয়েশনটাকে অ্যাবজর্ব করা", বাট ফ্রম দ্য সেফটি অফ নরম বিছানা আর সাদা ওয়াড়ে মোড়া জবরদস্ত লেপ। আর যদি বিছানার পাশের টেবিলের ওপর রাখা প্লেট থেকে আলুভাজা তুলে চিবুতে চিবুতে সে পাহাড় উপভোগ করা যায়, তবে তো সোনায় সোহাগা৷ ইয়ে, আলুভাজা হলেই ভালো, গাম্বাট ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মধ্যে ঠিক পোয়েট্রি নেই৷ আর তারপর৷ যদি কানে স্টিফেন ফ্রাইয়ের কণ্ঠে উডহাউসের ভাষায় খতরনাক জীভসের গল্প শোনা যায়, তবে সেই গোটা আমেজটাকে আরও খানিকটা লেভিটেট করিয়ে দেওয়া যায়।

লেহ্‌ ও ফুর্তি

পাহাড়ের গায়ে লেহ্৷ চোখধাঁধানো চারপাশ৷ ঘ্যাম সব পাহাড়, দিল্লীকে টেক্কা দেওয়া শীত৷ টুরিস্টরা এ'সব জায়গায় এসেই কবিতা লিখতে শুরু করবেন৷ নেহাত লিখতে না পারলে কফিহাউস-মুগ্ধ একটা হাবভাব নিজের মুখে ফুটিয়ে তুলবেন, সে'টাই অন্তত কপিবুক রেস্পন্স৷ এমন শহরে ঘুরতে এসে তাই প্রাণে ফুর্তি বাড়বেই৷ তাই লেহ্ এয়ারপোর্ট থেকেই চনমনে মনমেজাজ৷ কিন্তু কী ক্যালামিটি! এ'খানে অলটিচিউড সিকনেসের ভয় আছে৷ প্রথম দিন থেকেই বেশি লম্ফঝম্প করলে নাকি বিস্তর গোলমালের সম্ভাবনা৷ শ্বেতা জানালে প্রথম দিন নাকি কোনও সাইটসিয়িং নয়, শুধুই নির্ভেজাল বিশ্রাম৷ অতএব...ফুর্তি ডবল হল। এরপর আর এক কেস-জন্ডিস ব্যাপার। দেখলাম ফোনে সিগন্যাল নেই৷ আমার সার্ভিস প্রোভাইডার এ'খানে এখনও সুবিধে করে উঠতে পারেনি কী মুশকিল৷ ম্যানুয়ালি খুঁজেও সিগন্যাল জুটল না৷ বুঝলাম, ভরসা বলতে স্রেফ হোটেলের ওয়াফাই৷ কোনও জরুরী কল আসবে না৷ রাতবিরেতে কেউ ফোন করে কাজকর্মের কথা ঝালিতে নিতে পারবে না৷ এমন ম্যাদামারা জীবনের কোনও মানে হয়? অতএব..ফুর্তি চারগুণ হল৷ এয়ারপোর্টে থেকে দর্জেবাবুর গাড়িতে চেপে সোজা হোটেল৷ একটা দেওয়াল জোড়া জানলার ও'পাশের ভ্যিউ অতি চমৎকা

জগা মল্লিকের শাস্তি

- ব্রাদার৷ ও ব্রাদার। শুনছেন? জ্ঞান ফিরেছে? - উঁ..। - গা হাত পায়ে খুব ব্যথা নাকি? ব্রাদার? এহ্, আমার স্যাঙ্গাৎগুলো আপনাকে একটু বেশিই মারধোর করেছে। গোমুখ্যু ছেলেপিলে তো, মডারেশন ব্যাপারটা বোঝে না৷ তবে ভাববেন না৷ আমি ওদের খুব এক চোট ধমক দিয়েছি৷ - আমায় এ'ভাবে এদ্দিন আটকে রাখার মানে কী। - এদ্দিন আবার কী৷ মাস তিনেকের বেশি তো হয়নি৷ বাড়ি ফিরে গুগুল ঘেঁটে দেখবেন শ্যামলবাবু৷ আপনার আগে বহু মানুষ মাসের পর মাস বন্দী থেকেছেন৷ - কী চান আপনারা৷ সে'টা তো এদ্দিনেও..। - বলিনি৷ কারণ র ‍ ্যানসম ট্যানসম নিয়ে আমরা মাথা ঘামাইনা৷ আমরা পেটি ক্রিমিনাল নই শ্যামলদা৷ কিছু মাইন্ড করবেন না, বাবুটাবু আমার পোষায় না৷ শ্যামলদাই ভালো৷ তাই তো? - আপনারা টেররিস্ট? - আমরা ভোট চাইলে আমাদের টেররিস্ট বলতেন না৷ তাই না? - আপনি..আপনি কে? - ওহ, আমার নাম জানা নেই বলে আলাপচারিতায় অসুবিধে হচ্ছে৷ তাই না ব্রাদার? বেশ৷ ধরুন আমার নাম জগা মল্লিক। - কী চাই? - আপনাকে মুক্তি দিতে চাই শ্যামলদা৷ মুক্তি৷ - এ'সব বাজে কথার কী মানে? - বটেই তো৷ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে কথা বলছি না৷ আপনার মত সিভিলাইজড মানুষের কানে সে'সব বাজেই ঠেকবে৷ -

প্ল্যাটফর্ম আর টিকিট কাউণ্টার

- সাহেব, কফি চলবে নাকি? - কফি? - এখন তো সবে পৌনে বারোটা। যা খবর তা'তে ট্রেন অন্তত দেড় ঘণ্টা লেট। ভোর হয়ে যাবে আসতে। গাঁওদেহাতের শীতের রাত। তাই বলছিলাম..। - টিকিট কাউন্টারের লোকটা ছাড়া আর কেউ আছে নাকি আশপাশে? চায়ের দোকান দেখলেন নাকি কোনও অজয়বাবু? - হেহ্। কী যে বলেন সাহেব। স্টেশন আসার পথে তো দেখলেন, মাইল পাঁচেকের মধ্যে কোনও গেরস্থালী নেই। - তা'হলে কফি..? - এই যে। - ওহ্। আপনার ফ্লাস্ক! - দিল্লী থেকে এদ্দূরে ইন্সপেকশনে এসেছেন সাহেব। সরকার বাহাদুরের রিপ্রেজেনটেটিভ বলে কথা৷ যদিও আমি নেহাতই কপালজোরে আপনার লেজুড় হয়ে জুটে গেলাম। তবু, আপনার সামান্য যত্নটত্ন তো ফেলো-বাঙালি হিসেবে আমায় করতেই হবে, কী বলুন! আসুন, এই যে এক কাপ। ব্ল্যাক। তবে চিনি আলাদা করে চাইলে পাবেন। - নাহ্। ব্ল্যাক ইজ গুড। - দেহাতের শীতে কেমন কামড় দেখেছেন? - মারাত্মক। যাক গে৷ কাল বিকেলের আগে পাটনা পৌঁছনো যাবে বলে তো মনে হচ্ছে না৷ - তাই তো মনে হচ্ছে৷ - বাহ্৷ কফিটা দিব্যি অজয়বাবু৷ থ্যাঙ্কিউ। - সাহেবের ভালো লেগেছে৷ আমি তাতেই তৃপ্ত। - আচ্ছা! টিকিট কাউন্টারের লোকটা যেন কেমন, তাই না? - হ্যাঁ। হাবাগোবা। - শুধু তাও নয়৷ চাউনিটাও ক