Saturday, January 9, 2016

কলকাতার রবিনহুড

- জানালাটা বন্ধ করুন।
- আজ্ঞে?
- পিছনে হুহু করে ঠাণ্ডা আসছে।
- কলকাতায় আবার ঠাণ্ডা। আর বাস চলেছে তো ইষ্টিকুটুমের স্পীডে।
- আমার ঠাণ্ডা লাগছে!
- আমার মাফলারটা নেবেন নাকি?
- জানলাটা বন্ধ করুন!
- ঠাণ্ডা যেমনটা ভাবছেন তেমনটা নেই কিন্তু। ভালো করে খেয়াল করে দেখুন। জ্যানুয়ারি বটে কিন্তু একটা মার্চ মার্চ বোটকা ব্যাপার কিন্তু আছেই।
- আচ্ছা মুশকিল। ঠাণ্ডা আমার লাগছে। অত কথায় কী? বাসে আর কেউ জানালা খুলে বসেছে? আপনার অত তেল কেন?
- অমন বলবেন না স্যার। সেওয়াগও তো এক্সেপশনাল ছিলেন; তাই বলে কি দ্রাবিড় তাকে জিজ্ঞেস করছে "অত তেল কেন"?
- আরে ধুর। অত কথা কীসের? জানালাটা নামান! নাউ!
- সেওয়াগ সেবার ছয় মেরে ডাবল সেঞ্চুরি করতে গিয়ে আউট হল। আপনি কি শুধু আউট হওয়াটা দেখেছিলেন? রোম্যান্সটা দেখেননি?
- মহামুশকিল।
- মুশকিল? আসান হয়ে যাক। এই নিন। জানালা বন্ধ।
- বোঝ। এতক্ষণ ভ্যানতারা করার মানেটা কী?
- রবিনহুড কি মানে মেপে কাজ করে স্যার?
- রবিনহুড?
- এই যে। শীত কাঙাল কলকাতায় মিনিট পাঁচেকের কাঁপুনি লুঠ করে এনে আপনাকে অফার করলাম। আপনার আত্মা চাট্টি ঠাণ্ডা হাওয়ার থাবড়া পেয়ে বাঁচলে।
- আদেখলাপনা।
- বেশ। রবিনহুড বলতে না চাইলে বলবেন না। জীবনবাবু, আপনি বরং আমায় বনলতা বলেই ডাকবেন।

No comments:

ধপাস

সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। বহুক্ষণ পর আমার পড়া একটা প্রবল 'ধপ...