Tuesday, December 6, 2011

অতি প্রেম-পত্তর

ডিয়ার মাই বৌর্ণভীল সোনামণি,
উফ্ফ, পার্কে থেকে তোমাকে ছেড়ে এলুম আধ ঘন্টাও হয়নি, এর মধ্যেই হাওয়ায় অক্সিজেন কমে আসছে, পেটের ভেতরটা কেমন শেওয়াগ-গোছের লাফালাফি হচ্ছে; তোমায় ছাড়া আমার অবস্থা এক্কেবারে দেবু-জ্যাঠার নস্যি-মাখা রুমালের মত হাল হয় মাইরি
তোমার সঙ্গে থাকলে সময়টা এক্কেবারে দালের মেহেন্দির তুনক তুনক তুনএর মত কেটে যায়। তোমার আব্দারের বালি ছড়ানো মেঝেতে হামাগুড়ি দিতে যে আমার কী ভালোই লাগে...
এক্কেবারে ভিমনাগ ছড়ানো গলায় যখন বলো:
“ বাসে ভীষণ ভীড়, ট্যাক্সি নাও না প্লিজ”
“বসন্ত কেবিন না ডিয়ার, লেট্স গো টু সাম নাইসার প্লেস না সোনা, মেনল্যান্ড চায়না?”

Monday, December 5, 2011

নব্য-বঙ্গ ব্যঙ্গ

গালাগাল, থুড়ি..তিরস্কার ক্রমশ বড় আলুনি হয়ে উঠছেকদিন ধরেই দেখছি শাপ-শাপান্ত বা বাপ-বাপান্ত করে তেমন লে হালুয়া গোছের ফুর্তি হচ্ছে নাতবে বাঙালির ব্রেন থাকতে খিস্তি...ইয়ে মানে...ভর্ত্‍সনার জন্যে নব্য ভাষা বা যুক্তির অভাব হবে, এ কেমন কথা? একটা জটিল যোগ-মন্ত্র মনে মনে আউড়ে নিয়ে, মনসংযোগ সুদৃঢ় করে এগিয়ে এলাম, আধুনিক এবং সদ্য-আবিষ্কৃত কিছু ভেলকিময় হুমকি লিপিবদ্ধ করতে
১. অকর্মণ্য : “পার্লামেন্ট কোথাকার” (ডেমোক্রেসি ভিত্তিক)

Saturday, December 3, 2011

দ্য গ্রেট ইটালিয়ান সেলুন



পুরুষ-প্রসাধনের মত সহজ ব্যাপার এ পৃথিবীতে বিরল

Friday, December 2, 2011

সীতাভোগ-মিহিদানা ও ছোটোমামা




মত্‍স মারিব খাইবো সুখে; এহেন স্লোগান বদলে বাঙালি যখন মত্‍স ধরিব পুষিবো সুখে বলে ছলকে ওঠে, তখন ব্যাপারটা অতি সিরিয়াস পচা, নিজেকে কন্ট্রোল কর, তুই বখে যাচ্ছিস” আমার নতুন কেনা দু জোড়া মাছ সহ ফিশ-বাওল পর্যবেক্ষণ করতে করতে বললো ছোটমামা
একটা ফিস-বাওলএর শখ বহুদিন ধরেই ছিলোসেদিন হঠাত্‍ নিয়ে এসেছিলামদু জোড়া গৌরামি (GOURAMI) মাছ-সহএক জোড়া হলুদ, অপর জোড়াটি সাদাঘটনাচক্রে সেদিন ছোটমামা বাড়িতে এসেছিলছোটমামা মাছ-প্রেমিক, তবে পুষ্যি মাছের নয়, যেসব মাছ উদরস্থ করা যায় তাদের। পাড়ার মাছ বাজারে ছোটমামা আনন্দবাজারি ভাষায় বীরেন্দ্র সহবাগ।

Monday, November 14, 2011

শিশুপাল


রোববার সন্ধ্যেবেলা অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই মেজাজ খিঁচড়ে ওঠে কোনও অফিসিও খবরের আশঙ্কায়। ফোন-কলটা ধরবো কী ধরবো না ভাবতে ভাবতে ধরেই ফেললাম।
-“হ্যালো, পচা?”, দুরুম ব্যারিটোনেই বুঝতে চিনতে পারলাম আনন্দ-স্যার, ছোটবেলার ইংরেজি গৃহ-শিক্ষক কাম কৈশোরের জীবন-গুরু। ব্যাচেলর, গিটার-বাজিয়ে, দাপুটে এই ইংরেজি শিক্ষকটি ছিলেন আমাদের স্কুল-জীবনের আরাধ্য। ক্লাস এইট-নাইনে যখন আনন্দ-বাবুর কাছে পড়তাম, তখন মনে হত ; আজন্ম ব্যাচেলর থাকা, গিটার বাজানো, চারমিনার খাওয়া আর গড়গড় করে ইট্স বা শক্তি আউড়ানো ছাড়া জীবন বৃথা। কিন্তু উচ্চ-মাধ্যমিকের পর যথারীতি আনন্দ-বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ কমে এসেছে। এখন যোগাযোগ বলতে বিজয়ার সময় আমার প্রণাম-সহ ফোন। কিন্তু এতদিন পর এই রবিবার সন্ধ্যে বেলা হঠাত্‍ আনন্দবাবুর ফোন পেয়ে অবাক হলাম বটে।

Friday, November 11, 2011

শাহরুখ যদি


শাহরুখবাবু বাংলা প্রমোট করবেনভালো কথা
ব-ব-ব-ব-বাংলাআ-আ-আআ!” বলে নাইট-রাইডার্স অধিপতি দুলে উঠবেন, পশ্চিম বাংলা ঢেকুর তুলে গলা মেলাবেশাহরুখ ভক্ত হিসেবে আহ্লাদ কোথায় রাখিতবে রা.ওয়ান বলেই নাচবো আর বাংলা তুলে আ মরি আ মরিকরবো না, তা তো হয় না।
অতএব শাহরুখ বাবু, কয়েকটি ব্যক্তিগত মারপ্যাঁচে আপনার অভ্যস্ত হতে হবে, যদি না আপনি হিন্দ-মোটর ঘটিত এমবাসেডারের মত বঙ্গ-মানসে বাংলা-এমবাসেডার হয়ে মুখ থুবড়ে পড়তে না চান। কি কি এডজাষ্টমেন্ট করতে হবে আপনাকে? টুকে নিন:
১. কোলকাতা উচ্চারণ শিখুন স্যার। তুরন্ত!

Thursday, November 10, 2011

মগজ পোশাক



-“পচা, ঘুমাইতাসিলি নাকি?”, ভোর পৌনে ছটার সময় বিনু-মামার ফোন
-“হুম, কি ব্যাপার?”
-“কইতাসি কি, তর কাসে একখান শান্তিনিকেতনী ঝোলা হইবো?”
-“শান্তিনিকেতনী ঝোলা? মার আছে মনে হয় একটা পুরনো, তবে ময়লা হয়ে আছে বোধ হয়, কেন?”
-“ময়লা হইলে তো আরো ভালো, আর হ্যাঁ,আরেক খান জিনিষের দরকার আছিলো”

Tuesday, November 1, 2011

সেক্সিস্বর


ভূত ১: ভাই, নতুন নাকি?
ভূত ২: ইয়ে, হ্যাঁ, তিন মাস। আপনি?
ভূত ১: ১২০ বছর।
ভূত ২:ওরে বাওয়া,আপনি তো এলেমদার মামদো মশায়। ১২০ বছর ধরে কলকাতায় কচলাচ্ছেন?এই তিন মাসেই নাভি-শ্বাস উঠে গ্যালো, ভাবছি শিমুলতলা বা সিলেটে শিফ্ট করব।
ভূত ১ :ভারী চটপটে ভূত তো হে তুমি!অল্পবয়সে বিদেয় নিতে হয়েছে নাকি?
ভূত ২ :আর বলবেন না স্যার, উনিশ বছরেই কেলো ঘটে গ্যালো। একটা সেক্সি অঙ্কর সলিউশন চিন্তা করতে করতে রাস্তা পার হচ্ছিলাম

Sunday, October 30, 2011

বন্ধু-ব্যঞ্জন

বন্ধুরাই সর্বনাশের কারণআমার যাবতীয় বদগুণের উত্‍স হল আমারই কোনও এক প্রাণের বন্ধু। অতএব একটি বন্ধুও যদি আমার না থাকত, তাহলে আমার মধ্যে ভেজা তুলসী পাতার চেয়েও বেশি ক্লোরোফিল থাকতো।

Thursday, October 27, 2011

ভাষা-বোমা

গত কুড়ি বছর ধরে মেজো-পিসিদের বাড়িতে রামখিলান গোয়ালা দূধ দিয়ে চলেছেযখনই পিসির বাড়ি যাই,রামখিলানের দূধ দিতে আসবার সময় বাড়ি থাকার চেষ্টা করি; তার মূল কারণ হলো রামখিলান আর আর আমার মেজোপিসির'র কথোপকথন। বিহার থেকে ৩৭ বছর আগে এসেও, এখনো রামখিলান বাংলা ভাষার মার-প্যাঁচ কব্জা করতে পারেনি। । আর তার সাথে আমার পিসির হিন্দী মিলে যে আণবিক-ককটেল তৈরি হয়, তা অনাবিল। যাবতীয় গরমিল সত্ত্বেও মেজোপিসি নিজের হিন্দী এবং রামখিলান নিজের বাংলা ছেড়ে এক চুল নড়বেনা। ফলশ্রুতি? ভাষাগত হিরোশিমা, দৈনিক

Thursday, October 20, 2011

জন্মদিন




আঠাশ,
পাঁচ বছরের প্রাণের বন্ধু বিল্টা এখন বেপাত্তা
সাত বছরের হাঁটুর চোটের স্টীচের দাগ এখন বেমালুম শুকনো
দশ বছরের চাঁদের পাহাড় এখন মলাট-ধর্ষিত হয়ে ঘরের কোনো কোণে রগরাচ্ছে।
এগারো বছরের অঙ্কে ফেল এখন মুচমুচে ফুর্তি-স্মৃতি।
পনেরোর প্রেম সতেরো-বার কবরে ঢুকেছে।
ষোলোর বন্ধুত্ব এখনো কনক্রীট।

Saturday, October 15, 2011

ওয়াক-থু: কালচার



বাঙালিকে অফিস-মুখি করে তোলা চাট্টি-খানি কোথা নয় স্যারওসব ওয়ার্ক-কালচার বলে ওয়াক তুলে বাঙালিকে ভূলিয়ে কাজ করবেন, এমন ন্যালা-ক্যাবলা বাঙালি নয়।রক্তে কমিউনিজ্ম আর তৃণমূলীজ্ম এককেবারে ককটেল মেরে আছে মশাই, বেমক্কা যদি কাজ কাজ করে বাঙালি লাফাতে শুরু করে, তাহলে আর রাইটার্সএর ইজ্জত কে বাঁচাবে

Friday, October 14, 2011

কফি-শপের হাসিয়ে



সিমলার মল-রোড ধরে হাঁটতে হাঁটতে, চড়াই-উতরাই মেপে নিতে নিতে টুক-টাক খিদে পেতেই থাকবেএমত অবস্থায় বেদম-হারে মোমো-চাউমিন-সিজলার হজম করে যখন একটু মিষ্টি মুখ করব ভাবছি, এমন সময় নজরে এলো এমব্যাসি নামে একটি খাদ্য-বিহারবাইরে থেকে অতি মনোরম চেহারাভেতরে কাঁচে ঘেরা বসবার জায়গাটিও বেশ মনোরম, বসলেই বেশ অর্ধেক সিমলার বসতি চোখের সামনে জুড়ে বসে
এসব দেখে ঢুকে পড়লাম এমব্যাসিতে আর একটা চেয়ার টেনে যাবতীয় আলস্য মেলে দিয়ে বসে পড়লাম এবং একটা চকোলেট কেক আর এক টুকরো আপেলের পাই অর্ডার দিয়ে দিলামএ খাদ্যালয়টি এক দিকে বিচিত্রস্থান নেহাত স্বল্প বলা চলে না কিন্তু এখানের মালিক তথা ম্যানেজার তথা রাঁধূনি তথা ওয়েটার একজনই

Thursday, September 29, 2011

Boss কহিলেন



[এমন এক BOSS কে চিনি, যাকে তার দ্বারা Boss’ইতো জনগণ অসুর কুমার বলে ভক্তি-শ্রদ্ধা করে থাকেনসেই অসুর-কুমারএর বস-মুখি চিন্তা-ভাবনার এক খাবলা চুরি করে নীচে টুকে দিলামBoss-দু:খে যারা মরমে মরে আছেন, তাদের হাড়ে-হাড়ে এই ভাবনা-গুলোর পাল্স অনুভূত হবে, এ আমার বিশ্বাস ]
“এই যে পাহাড়ের মত চেয়ারটায় ওপর চড়ে বসে আছি, সেখান থেকে নিচের দিকে থাকলেই মাথাটা কেমন বন-বন করে ঘুরতে থাকে; কত্তসব ছুটকোছটকা অপদার্থের দল পোকা-মাকড়ের মত ঘোরাঘুরি করছে। আমি যে এতো খাটা-খাটনি করে এদ্দুর উঠে এলাম, সেই হার্ড-ওয়ার্কিং স্পিরিটের ভগ্নাংশও যদি এই গাধাগুলোর মজ্জায় থাকত তাহলে এর উর্বর মানুষ হয়ে উঠতো। কাজ-কর্মের বালাই নেই, গোটাদিন শুধু চাই-চাই-চাই’; ছুটি চাই, বোনাস চাই, লোন চাই,টি-এ/ডি-এ চাই! আরে? আমার অধস্তন বলে কি আমার স্তন পিষে নেবে নাকি

Tuesday, September 27, 2011

দুর্গা পুজো খাদ্য নির্ঘন্ট


সপ্তমী :
সকাল ৭ ঘটিকা – লুচি + ছোলার ডাল নারকোল দিয়ে + বেগুন ভাজা + ভীম নাগ সন্দেশ
বেলা ১১ ঘটিকা - দেবী প্রসাদ (চাল-কলা, শসা, আপেল ইত্যাদি) + কোকা-কোলা
দ্বিপ্রহর ২ ঘটিকা - নুন, লেবু, ভাত, বেগুনী, ঝুড়ি আলু ভাজা, সোনা মুগের ডাল, মাছের মাথা দিয়ে বাঁধা কপির তরকারী, রুই মাছের কালীয়া, মৌরলা মাছের ঝোল, খেজুরের চাটনি, ছানার পায়েস
বৈকাল ৫ ঘটিকা - লেবুর সরবত
সন্ধ্যে ৬ ঘটিকা - পাঁঠার ঘুগনি, ঘটি-গরম চানাচুর মিশ্রণ, দই-ফুচকা + ঠান্ডা পানীয়
রাত্রি ১০ ঘটিকা - রকমারি কাবাব, মুর্গ-মুসল্লাম, মাটন বিরিয়ানী, ফির্নি, কে সি দাসের রসগোল্লা, মিষ্টি পান

Monday, September 26, 2011

মহালয়া কান্ড

মহালয়া মানেই বাঙালির হাড়-গোড়ে কাঁপণ। আধুনিক বাঙালি আর কাশ-শিউলি-নীল আকাশে পুজো পুজো সিগন্যাল খোঁজে না।কলকেতিয়ে বঙ্গ-সন্তান হলে তো কথাই নেই। ট্র্যাফিক বাতির লাল-সবুজ, ট্যাক্সির হলুদ আর রাইটার্সএর লাল বাদে কলকাতার পাবলিক রঙ চেনে না।
বাঙালি এখন পুজোর হাওয়া চিনতে পারে পাড়ার দাদাদের চাঁদা তোলার হিড়িকে, ক্যালেণ্ডারের তারিখে, পূজা বার্ষিকীতে তথা পণ্য-বাজারের দুর্গা পূজা ধামাকা ডিসকাউন্ট অফার থেকে। আর এই পুজো-আনন্দ ছলকে ওঠে মহালয়া থেকে। ভোর রাত্রে বীরেন ভদ্রের প্যাঁপর যেই না বাজল অমনি বাঙালির গায়ে কাঁটা!
নিষ্ঠাবান বাঙালি মাত্রই ভোর ছটা থেকে দূরদর্শনের সামনে বসবেন কফি বা চা হাতে, সঙ্গে চানাচুর, নিমকি। নিষ্ঠা যদি অতিমাত্রায় জাগে তবে তিনি ভোর পাঁচটা থেকে শুনবেন আকাশবানীএবং পনেরো মিনিটে চা-টা হজম করে বসে বসে ঢুলবেনবীরেন্দ্র ভদ্র থকে গিয়ে ক্ষান্ত হলে, বাবু জেগে উঠবেন আহ! সাচ এ পীওর ট্র্যাডিশন’, বলে চাদর মুড়ি দিয়ে ঘুম চালিয়ে যাবেন
-পূজা ইজ হিয়ার মায় বয়, লিসেন টু দ্য ম্যাজিকাল ভয়েস অফ ভিরেন্দ্রা কৃষ্ন্যা ভ্যাদ্রা”, সাউথ সিটির ৩৬ তলার পিতা তার পুত্রকে হেচড়ে তোলেন ভোর বেলা

Saturday, September 24, 2011

শুদ্ধ বাংলা বিশুদ্ধ বাংলা


প্রশ্ন: শুদ্ধ কি প্রকারে শুদ্ধতর হয় ? বাহ্যিক পরিবর্তন ছাড়াও সমূহ ব্যবহারিক পরিবর্তন কি ভাবে সম্ভব? দশটি উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা করো
উত্তর: শুদ্ধ হতে শুদ্ধতর হওয়া এবং বাহ্যিক পরিবর্তন ছাড়া ব্যবহারিক পরিবর্তনের যে পদ্ধতিটি, তার উত্তম প্রয়োগ-দৃষ্টান্ত আমরা দেখতে পারি আমাদেরই আপন মাতৃভাষায়
অতএব, বঙ্গ-ভান্ডার চষে দশ খানি বিবিধ-রতন নীচে লিপি-বদ্ধ করা হলো:
শব্দ ১- ব্যাপক:
প্রাচীন ব্যবহার : কলিকাতা শহরে ওলাউঠার প্রাদুর্ভাবে ব্যাপক হারে মানুষ মরিতে লাগিলো
আধুনিক ব্যবহার: ব্যাপক মেয়ে, সাধু ভাষায় যাকে বলে ডানা লেস পরি
শব্দ ২- আগুন:
প্রাচীন ব্যবহার : এত বেলা হয়ে গ্যাল এখনো উনুনে আগুন পড়ল না রে মুখপুড়ির দল?”
আধুনিক ব্যবহার: হোয়াট আ কভার ড্রাইভ, আগুন শট, জিও দাদা
শব্দ ৩- গুরু:
প্রাচীন ব্যবহার : তুমি গুরু তুমি রাম, তুমি ভগবান, তোমারি লগিয়া তাই কাঁদে মোর প্রাণ
আধুনিক ব্যবহার : ভ্যানতারা না মেরে একটা সিগারেট দাও দেখি গুরু

'তন্ময় মুখো'


২০০২।কলকাতা তখন কলেজে, থাকছি কলেজ স্ট্রীটের কাছে সীতারাম ঘোষ স্ট্রীটের এক মেস-বাড়িতেআমার তখনকার এপিক-আলস্যে ভরা জিন্দেগি নিয়ে, আমার সহ-মেসি বন্ধু, বর্তমানে বাংলা কবিতার একটা কংক্রিটে-নাম,অনিমিখ পাত্র, ওরফে আমাদের মেসের সার্বজনীন কবি’; হুট করে একটা ছড়া কষেছিল
আমার মত উলু-খাগড়ার যদি জীবনী হত, তবে এই ছড়াটাই হত উজ্জ্বলতম চ্যাপটার

****
"এটা মুখার্জি তন্ময়ের এককালের রোজনামচা, তার সৌজন্যেই আমার এ নশ্বর জীবনে শ্রেষ্ঠতম আলস্য দেখা হলো" - অনিমিখ পাত্র

Friday, September 23, 2011

টেলি-ভীষণ

টিভি দ্যাখা ব্যাপারটাকে মোটামুটি একটা ইণ্ডাস্ট্রিয়াল প্রসেসে নিয়ে এসেছিরীতিমত ঘাম ঝরিয়ে, মেরুদন্ড মচকিয়ে তবে আমার টিভির নাগাল পাওয়া যায়
প্রথমত, টিভির প্লাগ লাগিয়ে সুইচ অন করা
দ্বিতীয়ত, স্যাটেলাইট সেট টপ বক্সএর প্লাগ লাগিয়ে সুইচ অন করা
তৃতীয়ত, অতিরিক্ত সাউন্ড বক্সএর প্লাগ লাগিয়ে সুইচ অন করা।(পুওর ম্যানস হোম থিয়েটার)

চতুর্থত
, টিভির মূল বোতামটি টিপে যন্ত্রটিকে মন্ত্র-চালিত করা।
পঞ্চমত, টিভির রিমোট টিপে টিভি কে প্র্জ্জ্বল করে দেওয়া।

Thursday, September 22, 2011

বঙ্গ-জীবনের অঙ্গ

কিছু কিছু ব্র্যান্ড আদ্যোপান্ত বাঙালি, সে কোনও অমুক-লিভারের নয় বা কোনও তমুক-গ্যাম্বেলএরও নয়এই পণ্য-নামগুলো বাঙালির বাঙ্গালিয়ানা ঘিরে রয়েছে, অন্তত নব্বই দশক পর্যন্তও ছিলআর আমরা যারা এখন টি-টুয়েন্টি তথা ডিশ-টিভি তথা ফেসবুক-মগ্ন, তাদের কাছে এই নামগুলোর একক ডেফিনিসন হচ্ছে ছেলেবেলার গন্ধ’।


~ বোরোলীন: সুরভিত অ্যান্টিসেপটিক ক্রীমচ্যাটচ্যাটে, বাতাস ভারী গন্ধে ভরপুরতবু ঠোঁট-ফাটা থেকে ছড়ে যাওয়া হাঁটু, বোরোলীন ছিল সর্বত্রএখনো বোরোলিনের ছিপি খুললে মাএর কথা মনে আসে




~ মার্গো সাবান: সবুজভীষণ টেকসইচেটে দেখেছি, সত্যিই নিম-তেতোফ্যানা-ট্যানার পরোয়া নেই, এন্তার গায়ে-পিঠে ঘষে চলো




~ নাইসিল: আমার বাঙালি রক্ত আমায় দিয়েছে দুপুর রোদে ফুটবল, আর দিয়েছে ঘামাচি, ভাগ্যিস নাইসিল ছিলো



~

ধপাস

সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। বহুক্ষণ পর আমার পড়া একটা প্রবল 'ধপ...