Sunday, June 19, 2011

পেঁয়াজী কথা


আরেকটা বৃষ্টির সন্ধ্যে। এবারের আশ্রয়দাতা পড়শী পিয়ালদা। শিক্ষক এবং সমঝদার খাইয়ে। আজকের সন্ধ্যেটা মাত হল পিয়াল-বৌদির হাতে বানানো পেঁয়াজী'তে। বাংলাদেশের অতি পরিচিত, জাতীয়-পতাকা-সম তেলেভাজা হলো এই পেঁয়াজী, কিন্তু পিয়ালদার প্রবল পেঁয়াজী-রোম্যান্স'কে সম্মান জানিয়ে, পেঁয়াজী ভাজার ব্যাপারটা গ্রাফিকালি সাজিয়ে দেওয়ার লোভ সামলানো গ্যালো না। অতি সহজ অথচ অতি-সুস্বাদু।

Thursday, June 16, 2011

চেষ্টা করেছিলাম তবুও



পিতা : তোমার রেজাল্ট যে দিন দিন গোল্লায় যাচ্ছে


আমি : ইয়ে মানে, চেষ্টা করেছিলাম, তবুও..


পিতা : চেষ্টা আমার মুণ্ডু, তুমি শুধু ধেইধেই ফুটবল পেটাতে আর ফুচকা গিলতে জানো রাস্কেল







বউ : আজকেও দেরি, তোমার টাইমিং সেন্স দিন দিন বিগড়ে চলেছে


আমি :ইয়ে মানে, চেষ্টা করেছিলাম, তবুও..


বউ : ড্যাম ইওর চেষ্টা, তুমি একটা আলসে ভূত আসলে







বস : সেলস ফিগার যে নায়াগ্রা থেকে ঝাঁপ দিয়ে মারিয়ানা ট্রেঞ্চে নেমে চুমু খাচ্ছে চাঁদু


আমি : ইয়ে মানে, চেষ্টা করেছিলাম, তবুও..


বস : চেষ্টা-ফেষ্টা বলে ব্লাফ ঝেড়ো না বাপ, তোমার মত স্লিপারি ফাঁকিবাজ আমি জম্মে দেখিন!







ডাক্তার : আরে মশাই, তেল-চোবানো চপ-মিসাইল গুলো খাওয়াটা এক্ষুনি বন্ধ করুন, নয়তো এত টন কোলেস্টেরল ঢোকালে, ইলেকট্রিক চুল্লিও চোক করে যাবে


আমি : ইয়ে মানে, চেষ্টা করেছিলাম, তবুও..


ডাক্তার : আপনার মশাই এলেবেলে চেষ্টা সব, উইল-পাওয়ার আপনার মধ্যে এক আউন্স'ও নেই







মা :হ্যাঁ রে বাবা, দিন দিন এমন রোগ হয়ে চলেছিস তুই, শরীরের একটুও যত্ন নেই তোর?


আমি : ইয়ে মানে, চেষ্টা করেছিলাম, তবুও..


মা : কিছু চেষ্টা করিস না তুই, রাজ্যের লোকের ব্যাগার খেটে যায় শুধু ছেলেটা আমার, এদিকে নিজের দিকে কোনও নজর নেই..










Monday, June 13, 2011

বৃষ্টির সন্ধ্যে ও একটি গা-কাঁপানো গল্প




জুন মাসের সন্ধ্যে।
ঝমঝম বৃষ্টি। প্রবল, ছাতা-ডিসমিস করে দেওয়া বৃষ্টি।
লোড-শেডিং। প্রবল গপ্পিয়ে বন্ধু। তার রত্ন-সম রাধুনি বর্ধমানের দিবাকর।
মোমবাতি'র আলোয় জমাট আড্ডা। আড্ডা'র ক্যাটালিস্ট হিসেবে দিবাকর কুমারের পেঁয়াজি, বেগুনী,
লঙ্কা-পকোড়া (হু হু হু হহুহু, চোখে জল কিন্তু জ্বিবে দারুন), ডিম'এর ডেভিল, আম আচার'এর তেল
এবং আলু-সহ ভাজা মুড়ি। সঙ্গে ফ্রিজ-ঠান্ডা মিষ্টি ডাব'এর জল। আহহ... জিহ্ভার্গ্সম একেই বলে।
বৃষ্টি'র সন্ধ্যে। মোমবাতি আছে, তেলে-ভাজা মুড়ি আছে, ভূতের গপ্প হবে না?

Sunday, June 12, 2011

বউ-লেস চিলি চিকেন



“A Man is emancipated from the clutches of his wife, when he successfully makes Chilli Chicken all by himself, in his own kitchen, in the absence of his wife” ~ An Old Chinese Saying

প্রশ্নচিহ্ন :
বউ বাড়ি না থাকলে পাউরুটি-আমূলস্প্রে খেয়ে থাকতে হবে? সেদ্ধ-ভাত'ই বা খেতে হবে কেন? রেস্টুরেন্ট থেকে খাওয়ার আনতে যাওয়াই বা জরুরি কেন?
বউ বাপের বাড়ি গ্যাছে বলে রোববার রাত্রে বাড়িতে মুরগি ঢুকবে না এটা কি কোনো ইজ্জতের কথা হলো?
অতএব :
@finelychopped (টুইটার পরিচিতি) ব্লগে হানা দিলাম (মুম্বাই-বাসী কল্যাণ কর্মকারের এই ব্লগ'টি যে কোনও খাদ্য-রসিকের কাছে একটি সোনার খনি, যারা এখনো এই ব্লগ'টি তে যান নি, এই পোস্ট পড়া বন্ধ রেখে আগে গিয়ে ওই ব্লগটা দেখুন) চিলি চিকেনের সহজ অথচ গরম রেসিপি টুকে নিলাম, আর তারপর...তারপর.. ইতিহাস নেমে এল রান্নাঘরে।
রেসিপিটা এত সহজে এক লাইনে সাজিয়ে দিয়েছেন @finelychopped যে সেটাকে বাস্তবায়িত করা অতি সহজ
Heat oil, add chopped garlic, add soy sauce and chili sauce, add, chopped onion bulbs, add chicken, salt and ajino moto, stir till cooked and oil dries, add green chillies. End of story. Ten minutes from start to Finish
আমি শুধু সামান্য দুটো ইনোভেসন গুঁজে দেওয়ার চেষ্টা করেছি :
১. চিকেন'টা কে এক ডিম ফাটিয়ে ও সামান্য নুন-শুকনো লঙ্কার গুড়ো, কর্ণ-ফ্লাওয়ার দিয়ে ৩০ মিনিট ম্যারিনেট করে রেখেছি (ডিম'এর প্রতি আমার অগাধ আস্থা, পারলে..ইয়ে..শুক্ত'তেও )
২. মূল রান্নার আগে চিকেনটাকে অল্প আঁচে একটু ভেজে নিয়েছি
ব্যাস.. তারপর @finelychopped'এর সহজ লাইন মেপে চালিয়ে দিয়েছি
ফলাফল? অনবদ্য, অভাবনীয়, ঐতিহাসিক
বউ ছাড়া রান্না ঘরে মুরগি ঢুকবে না, এই পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে গ্যালো...
"আমার প্রথম চিলি চিকেনে রাঙানো ভাত এক কাঁড়ি / আমি কি ভুলতে পারি " - প্রাচীন চিনা গণ-সঙ্গীত (দয়া করে ক্রস-চেক করতে যাবেন না)

১. যা যা দরকার

তিব্বতি মাদুলি

- মনখারাপ? - আজ্ঞে। প্রচণ্ড। টেরিফিক লেভেলে মনখারাপ। - সে তো বুঝলাম। কিন্তু কেন? জয়েন্টে ফেল? মিনিবাসের পকেটমারিতে সত্তর টাকা জল...