Tuesday, February 2, 2016

চারমিনারের বাক্সে

চারমিনারের বাক্সে কী করে এলাম বুঝতে পারছি না। নড়তে চড়তেও পারছি না।
চারমিনারের বাক্স বুঝতে পারছি সুবাসে আর চেনা রাঙতায়। ঠাসাঠাসি অবস্থার মধ্যে রয়েছি। আমার ডাইনে সিগারেট, বাঁয়ে সিগারেট, সামনে সিগারেট। অদ্ভুত ঝামেলা। গলা দিয়ে আওয়াজও বেরোচ্ছে না। 
মুশকিল হল।

এমন সময় ঢাকনা খুলে যাওয়াতে একরাশ টিউবের আলো ঝলসে উঠলে। দু'টো আঙুল এসে আমার ঠ্যাঙ ধরে দিলে হ্যাঁচকা টান। আঙুল দু'টো চেনা হাতের; বুড়ো আঙুলের ডগার ওই পুরোনো কাটা দাগটা আমারই। কী গোলমাল। খেইমেই করে চিৎকার করতে চেয়েও লাভ হল না, নিজের আওয়াজ নিজের কানেই গোঁত্তা খেয়ে অক্কা পেল।
সর্বনাশ হল তারপর। পেল্লায় জ্বলন্ত একটা দেশলাই আমার মুণ্ডুর কাছে ভেসে এলো। পেল্লায়। নিজে নিজেকে সিগারেট ঠাউরে জ্বালিয়ে দিচ্ছি না তো? বাপ রে মা রে হাউমাউ করেও লাভ হচ্ছে না।

**

প্রত্যেকবার সিগারেট ধরানোর সাথে সাথে এই মাথার ভিতরের জ্বালা জ্বালা ভাবটা অসহ্য হয়ে উঠছে ক্রমশ। কানের মধ্যে একটা কুইকুই শব্দও হয় যেন, ঠিক ঠাহর করা যায় না। নাহ! সিগারেটটা জ্বালাতে গিয়েও জ্বালানো হলো না। অপর্ণাকে ডেকে বললাম "শুনছ, আজ থেকে দিনের একটাও বাদ দিলাম। কেমন? বলি এর জন্য একদিন এক্সট্রা মালপো হবে কি এই মাসে?"

**
"বাবা গো, তোমার সে গোপন ওষুধ ধন্বন্তরির মত কাজ করেছে বাবা। দু'দাগ ওষুধ সবে দুধে গুলে খাইয়েছি গত মাসে। হপ্তা দুইয়ের মধ্যে তিনি সে বদ নেশা ছেড়েছেন। তুমি ধন্য বাবা, তুমি ধন্য, জয় বিরিঞ্চি বাবার জয়"।

No comments:

তিব্বতি মাদুলি

- মনখারাপ? - আজ্ঞে। প্রচণ্ড। টেরিফিক লেভেলে মনখারাপ। - সে তো বুঝলাম। কিন্তু কেন? জয়েন্টে ফেল? মিনিবাসের পকেটমারিতে সত্তর টাকা জল...