Thursday, February 11, 2016

পিরামিড ও সম্রাট

মন দিয়ে পোস্টারটা পড়ার চেষ্টা করছিলেন সম্রাট ফুলকপিহেব। 
“পুনর্জন্মের অফার। খয়েরী রঙের পোস্টারে সোনালী কালিতে ড্যাবড্যাব করে লেখা।
চিন্তায় পড়তে হল তাকে। মিশরের দোর্দণ্ডপ্রতাপ সম্রাট ফুলকপিহেব কি না শেষ পর্যন্ত ঘুমের আশ্রয় ছেড়ে পোস্টার পড়ছেন? ঘুম ভাঙলই বা কেন? পিরামিডের অন্তরে যে ঘুম রাজরাজড়াদের টেনে আনে সে ঘুম তো সহজে ভাঙবার নয়। ইন ফ্যাক্ট সম্রাটের অনুমতি না নিয়ে সম্রাটের ঘুম ভাঙ্গানো যে রীতিমত গর্হিত ব্যাপার। তবে রাগ করতে গিয়েও রাগ করতে পারলেন না। এদ্দিনের ঘুম। গায়ে ম্যাজম্যাজ ধরে গেছিল।মন্দ লাগছে না। 
তবে পুনর্জন্মের ব্যাপারটা ঠাহর হচ্ছে না। থুঁতনির দাড়ি চুলকাতে গিয়েও বিশেষ সুরাহা হল না, দাড়ি মাংস রক্ত সবই গিয়েছে, থুঁতনিতে স্রেফ শুকনো হাড়।


**

“ক্যালক্যাটা ফেব্রুয়ারির মধ্যিখানে ফুলকপির শিঙাড়া? নো স্যার। এ ফুলকপি চালানি, বিস্বাদের কবর থেকে তুলে আনা। নর্মাল ফুলকপিলেস শিঙাড়া থাকলে দাও দু’পিস। নয়তো আমার নিমকিতেই চলে যাবে”, নবীন ঘোষকে ইন্সট্রাকশন দিয়ে নবীন স্যুইটসের সামনে পাতা বেঞ্চিতে খবরের কাগজ মেলে বসলেন মহিম চক্রবর্তী।

No comments:

ধপাস

সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। বহুক্ষণ পর আমার পড়া একটা প্রবল 'ধপ...