Wednesday, July 29, 2015

প্যারালাল

- লাইফ আফটার ডেথ্‌য়ে বিশ্বাস থাকাটা বিজ্ঞান বিরোধী বলছ?

- অফ কোর্স। যার প্রমাণ নেই, তার অস্তিত্ব নেই।

- এক সময় তো আমাদের পরিচিত ভূমণ্ডলটারও কোন প্রমাণ আমাদের ল্যাবরেটরিতে ছিল না হে।

- সেটা প্রাগৈতিহাসিক সত্য। কিন্তু তার পর থেকে বিজ্ঞানের প্রোগ্রেস্‌ অভাবনীয় গতিতে হয়েছে সেটা ভুললে চলবে না। এখন অন্তত আমাদের কাছে যুক্তির জমিটুকু তৈরি আছে। থিওরি বল আর কল্পনা, সমস্ত সেই জ্ঞানের জমির ওপরেই খাড়া করতে হবে তোমায়। আর মৃত্যুর পরের অস্তিত্ব সম্বন্ধে কোন থিওরি বা কল্পনা সেই যুক্তিগ্রাহ্য জমির ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। 

- কে জানে! সমস্ত সত্যই কী যুক্তির ওপর দাঁড়িয়ে? 

- আলবাত। থাকতেই হবে।

- তর্ক করতে মন চায় না বাপু। 

- তর্কের যে স্কোপ আছে বলে তোমার মনে হচ্ছে, সেটাই আমায় অবাক করছে। এ এক অদ্ভুত প্রেজুডিস্‌।

- আমার প্রেজুডিস? আর তুমি যে গোটা ব্যাপারটাকে একদম হতেই পারে না বলে উড়িয়ে দিচ্ছ, এটাও কী বিজ্ঞানভিত্তিক প্রেজুডিস নয়?

- অর্থাৎ তোমার ধারণা আমরা মারা গেলে নশ্বর দেহ ধারণ করি; এই বোগাস আইডিয়াটা বেস্‌লেস অর্বাচীন নয়?

- আপাত দৃষ্টিতে তাই।

- আপাত দৃষ্টিতে? বটে? আচ্ছা, আজ পর্যন্ত কোন ভূত প্রমাণ দিতে পেরেছে তেনাদের অস্তিত্বের? কিছু বোগাস রটানো ঘটনা ছাড়া ভূতসমাজে কোথাও কখনও মানুষ দর্শনের কোনও অকাট্য প্রমাণ দেখাতে পারা গেছে? তোমাদের মত শিক্ষিতজন যখন এসব বালখিল্যসুলভ তর্ক জুড়ে বস, তখন খারাপ লাগে। 

- কে জানে ভাই। আমরা যেমন মানুষের দেখা পাইনা বলে ভাবি তাঁদের অস্তিত্ব নেই, হয়তো তারাও আমাদের ব্যাপারে একই রকম ভাবে। হয়তো আমাদের প্যারালাল দু'টো দুনিয়া কখনও কোইনসাইড করে না! কে বলতে পারে?

- অসহ্য। তোমাদের এমন অ্যানসায়েন্টিফিক ভাবনাগুলোর জন্যেই আজ দেশের ও দশের এমন দুরবস্থা।

No comments:

ধপাস

সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। বহুক্ষণ পর আমার পড়া একটা প্রবল 'ধপ...