Wednesday, November 13, 2019

পাহাড়ের দুই

১। 

- কেমন বুঝছ মামা?
- থ্রিলিং! চমৎকার! মনে হচ্ছে চট করে দু'লাইন কবিতা লিখে ফেলি।
- সেরেছে। দেখো, ভেসেটেসে যেও না।
- এখানেই যদি থেকে যেতে পারতাম রে...।
- রোব্বারে এ'খানে পাঁঠার দোকান পাবে বলে মনে হয়?
- সে'টা একটা ইয়ে বটে..কিন্তু তাই বলে..। বাদ দে..পোয়েটিক মুডে দিলি ঢেলে কেরোসিন। চ' ব্রেকফাস্টটা সেরে নিই।
- আজ জলখাবারে কী আছে জানো?
- লুচি? রিমোট জায়গায় বোধ হয় আলুরদম ডিমান্ড করাটা অনুচিত; তেমন ভাবে কষাতে পারবে না। ওই আলুভাজাতেই কাজ চালিয়ে নেব।
- লুচি? আলুভাজা?
- ভ্যাকেশন। ব্রেকফাস্ট। লুচি থাকবে না?
- হেহ্।
- লুচি নয়?
- ম্যাগি। সাবস্টিটিউট বলতে ছাতু।
- না রে, দিনদুয়েকের মধ্যে ফিরতে হবে দেখছি..।

২। 

- গাধাগুলোকে দেখে বড্ড হিংসে হচ্ছে রে।
- সে কী মামা!
- অবাক হওয়ার কী আছে। জীবনটা ওদেরও থোড়ে বড়িতে কাটছে, আমাদেরও। এ চক্র থেকে ওদেরও নিস্তার নেই নেই, আমাদেরও নেই। শুধু..।
- শুধু?
- শুধু এদের বাসে ট্রেনে ডেলিপ্যাসেঞ্জারি করে হদ্দ হতে হয়না। অটোর লাইন নেই। গড়িয়াহাটে দরদাম করে হদ্দ হওয়া নেই..।

No comments:

ধপাস

সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। বহুক্ষণ পর আমার পড়া একটা প্রবল 'ধপ...