Sunday, July 30, 2017

নিশ্চিন্দি

রাত্রি এলেই রোখ চেপে যায়।

তরতরিয়ে চিঠি লেখা চলে। আত্মবিশ্বাসী ঝরঝরে ভাষা। টেবিল চাপড়ানো দাবী,  লোফার মার্কা আদর। সিগারেটের নেশাটা নেহাত ধাতে সয় না, নয়তো অ্যাশট্রে উপচে একাকার কাণ্ড হত।

মাঝেমধ্যে পায়চারীতে জিরিয়ে নেওয়া। সে'সময় আবার মনের মধ্যে শাসনের ভাষাটুকু সাজিয়ে নেওয়া  যায় যা'তে কলম ধরলেই পুরনো বাড়ির ঝুরঝুরে পলেস্তরার মত অভিমানটভিমান সমস্ত ঝরে পড়া যায়।

পুরীর রাস্তায় বিকেলের ক্যাঁচরম্যাচর ধরে এগোনো রিক্সার মত এগিয়ে চলে সেই সাড়ে সাত পাতার চিঠি। স্বর্গদ্বারের ভীড়ে এসে প্যাডেল নরম হয়ে রিক্সা থামে। দু'জনে টুপটাপ নেমে পড়ে, রিক্সায় আটকে পড়া নীল ছাপার শাড়ির আঁচলটা ছাড়িয়ে নেন সরু চেক হাফশার্ট।

খুব সাবধানে বন্ধ করা ছিটকিনির মত "ইতি তোমার..." টেনে দেওয়া চিঠির নীচে। বেশরম হয়ে দিনদুপুরে দুদ্দাড় ঘরের দরজা বন্ধ করে লোক জানান দেওয়ার বদমায়েশি বরদাস্ত করেন না নীল ছাপা। চেকশার্টের হয়েছে যত জ্বালা আর রয়েছে দু'টো খোলা বোতাম।

ভোরের দিকে বোধবুদ্ধির পোস্ট অফিস হাঁ করে দাঁড়ায়, কুচিকুচির স্টাম্প লাগিয়ে ফেলে দিলেই নিশ্চিন্দি।

No comments:

ধপাস

সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। বহুক্ষণ পর আমার পড়া একটা প্রবল 'ধপ...