Monday, December 14, 2015

শেষ বেলার অফিস

- দেরাজের চাবিটা কোথায় দাসবাবু?
- কেন? আপনার পকেটে নেই?
- পকেটে থাকলে আপনাকে জিজ্ঞেস করব কেন?
- খুব আর্জেন্ট দেরাজটা খোলা? ছ'টা বেজে গেছে। এখন না বেরোলে সাতটা পাঁচের গ্যালপিং লোকালটা মিস্‌ হয়ে যাবে। কাল এসে চাবি খুঁজে নেওয়া যাবে বরং। 
- ভেরী আর্জেন্ট। বড়সাহেব একটা ফিগার চেয়েছেন। না দিয়ে যাওয়ার উপায় নেই। আর সে'সব রেজিস্টার ফাইল সমস্তই রয়েছে দেরাজে। 
- কই, মনে তো পড়ছে না চাবিটা কোথায় রেখেছি। 
- কী মুশকিল। মাথাটা খেলান না। মনে পড়ে যাবে। 
- অহ হো! 
- কী হল?
- মাথা খেলালেই চাবিটা পেয়ে যেতাম বটে, কিন্তু কী মুশকিল দেখুন। লাঞ্চের পর কী যে হল শালিমারের গন্ধটা আচমকা মনে হল টলারেট করা যাচ্ছে না। ব্যাস। টুপ করে মাথাটা খুলে দেরাজে রেখে দিয়ে চাবি লাগিয়ে দিলাম। তারপর চাবিটা যে কোথায় রাখলাম! যাচ্ছেতাই। এখন মাথা খেলিয়ে যে চাবিটা খুঁজব সে উপায়ও নেই। 
- আপনি বরং আসুন। গ্যালপিং ট্রেনটা মিস্‌ হলে তো আবার আপনার অনেক ঝকমারি।

No comments:

বাইশের দুই বিনোদ দত্ত লেন

- কাকে চাই? - ম্যাডাম, এ'টা কি অমলেশ সমাদ্দারের বাড়ি? - ওই ঢাউস নেমপ্লেটটা চোখে পড়েনি? ও'টায় কি অমলেশ সমাদ্দার লেখা আছে?...