Saturday, April 9, 2022

সর্বঘটে চিলি চিকেন



বরাবরই বলে আসছি চিলি চিকেনের মত ফ্লেক্সিবল ব্যাপার আর হয়না৷ এমন মজবুত আইটেমকে স্রেফ চাউমিনের সঙ্গতে ফেলে রাখাটা অনুচিত। 

একসময় দুর্গাপুরে পরেশের ধাবার বিস্ফোরক ঝাল চিলি চিকেনের সঙ্গে অজস্র রুটি উড়িয়েছি৷ দিলখুসাতেও হাফ প্লেট চিলি চিকেনের সঙ্গে মিনিমাম ছ'খানা হাতরুটি অনায়াসে উড়ে যেত৷ শেয়ালদার কাছে অন্নপূর্ণা রেস্টুরেন্টে আবার চিলি চিকেন গ্রেভিতে ডুবিয়ে খেতাম রুমালি রুটি৷ বেগুসরাইতে একবার নেহাতই বিপদে পড়ে বাসি চিলিচিকেন আর তাজা পাউরুটি দিয়ে ব্রেকফাস্ট সেরেছি; অতি উপাদেয়। বলাই বাহুল্য যে সেদ্ধচালের ভাত চিলিচিকেনের ঝোল দিয়ে কষে মাখাটা অত্যন্ত সহজসরল আর স্বাভাবিক ব্যাপার; সে ঝোলভাতের পাশাপাশি সামান্য বিউলির ডালের বড়ার মুচমুচ অন্য ডাইমেনশন যোগ করে৷ 

তা দিল্লীর ইউনাইটেড কফিহাউস জবরদস্ত চিলিচিকেন বানায়, কলকাতার সঙ্গে দিব্যি টক্কর দেওয়ার মত। সে'খানে গতকাল খেলাম চিলিচিকেন পিজ্জা৷ দিব্যি জমজমাট।  সম্ভবত তাদের সিগনেচার ড্রাই চিলি চিকেনের টুকরোগুলো পিজ্জা ব্রেডের ওপর সাজিয়ে বেক করে দেওয়া৷ চমৎকার। বেজিং আর রোম যেন হাওড়া-ব্যান্ডেল মেনলাইনে পাশাপাশি দু'টো স্টেশন৷ 

এ'বার ভাবছি একদিন হাইক্লাস চিলিচিকেনের ঝোল দিয়ে মুড়ি মেখে দেখব৷ সঙ্গে মাংসের চপ। বলা যায়না, খাপে খাপ পড়তেও পারে৷

No comments:

পুরনো লেখা