Monday, December 5, 2016

মোহনবাবুর সারপ্রাইজ

- কইসন হো?
- বঢিয়া। ডিনার মা মাটনবা রহিস।
- তবিয়ৎবা?
- তন্দরুস্ত। পাশবালিশ জড়াইস।
- দিলওয়া?
...
- খুশ। হাত মে কিতাব। ঘনাদা সসুরা বকরবকর করত হো।
- উঁহু। কুছ তো গড়বড়াইস। ম্যাদামারা কাহে গইল বা?
- সোমবার আ গইল।
- কিচেন মে রেকাবিমা ক্ষীরকদম ভইল।
- কা বাত করত হো। ক্ষীরকদম তো হম কব কা খা গইল হো।
- দু'গো ছুপাইকে রখতলা। তহর লগি সারপ্রাইজ।
- সজনী, হমৌ তু কা সরপ্রাইজ রখত।
- কা?
মোহনবাবুর ঘুম ভাঙলো পাশের বাড়ির মেনি বুকিকুমারির ছটরফটরের শব্দে। অ্যাডাল্ট স্বপ্নটা মাঝপথে সুতো কাটা ঘুড়ির মত লেতকে পড়ায় মনটা হু হু করে উঠলো। দলা পাকিয়ে রাখা খিদেটাও ওয়াপিস এলো। ব্যাচেলর সংসারে মাঝরাত্তিরের খিদে বলতে লেড়োর বয়াম। তবে বিস্কুটে কামড় দিয়েই মোহনবাবু বুঝলেন যে স্বপ্নের প্রভাবে মুখের সোমবারি তিতকুটে বিস্বাদভাবটা বিলকুল গায়েব।
অনেক চেষ্টা করেও সেই মুখাবয়ব মনে এলো না মোহনবাবুর। সে, যে দু'টো ক্ষীরকদম সরিয়ে রেখেছিল আদুরে সারপ্রাইজ দেবে বলে। মনে মনে মোহনবাবু তার নাম দিলেন রাই। পরনের শাড়ির রঙ সাদা হলুদ মেশানো ছিল কি?

**

ও'দিকে বুকিকুমারির মালকিন সন্ধ্যে থেকে বড্ড বিরক্ত। বলা নেই কওয়া নেই বাক্স থেকে দু'দু'টো ক্ষীরকদম গায়েব। বুকিকুমারি আজকাল চুরি করে মিষ্টি খাওয়াও ধরল নাকি? এদিকে বদ বিড়ালিটাকে একটু চোপা করবেন, সে সুযোগও নেই। সে গোটাদিন শুধু পাশের বাড়িতেই পড়ে থাকে আজকাল।

No comments:

রবিবাবুর সমস্যা

- এই যে দাদা, দেশলাই আছে? - নাহ্। - আপনার বুঝি সে বদঅভ্যাস নেই? - বিড়ির? নাহ্। নেই। - একমিনিট৷ আপনার মুখটা কেমন যেন চেনাচেনা লাগ...