Tuesday, July 2, 2019

ফির নহি আতে


कुछ लोग एक रोज़ जो बिछड़ जाते हैं
वो हजारों के आने से मिलते नहीं
उम्र भर चाहे कोई पुकारा करे उनका नाम
वो फिर नहीं आते, वो फिर नहीं आते..


সে'সব "ফির নহি আতে"র ফর্দে কত ঝাপসা মুখ যে রয়েছে। এই যেমন;

১। এক মাছওলাকাকু ক্রিকেট নিয়ে গল্প জুড়তে পারলে খদ্দের ভুলে যেতেন। আজহারউদ্দিনের ফিল্ড প্লেসমেন্টের ভুলগুলো অনায়াসে বলে দিতে পারতেন। প্রবীণ আমরের ডিফেন্সের খামতিগুলোও তাঁর চোখ এড়াত না। আর ক্রিকেট নিয়ে জরুরী আলোচনার সময় কেউ বেমক্কা 'মাগুর কত করে গো' জিজ্ঞেস করলেই রেগে টং হয়ে যেতেন।

২। স্কুলছুটির পর স্কুলগেটের কাছেই একটা গাছের ছায়ার দেখা যেত ফুচকাকাকু। একসঙ্গে সাত-আটজনকে সাত-আট রকমের ঝাল-টক-নুন রেশিওতে খাইয়ে যেতেন। আর যে আলুকাবলি মাখতেন তা' খেলে আয়ুবৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। তবে তার বিশেষত্ব ছিল ফুচকাপযোগী কিশোরের গানে। "মেরে মেহেবুব কয়ামত হোগি"র সুরে এগিয়ে দেওয়া ফুচকার টইটম্বুর বুক থেকে জল চলকে ওঠা...আহা।

৩। কাগজদাদাভাই গল্প করতেন শুকতারা, আনন্দমেলা নিয়ে। ভোরে কাগজ দিয়েই গায়েব হতেন বটে কিন্তু ছুটির দিন দুপুরবেলা ঠিক একবার ঢুঁ মেরে যেতেন। বাতাসা-জল হোক বা মুড়কি-সরবত; ঠাকুমা কিছু না কিছু দিতেনই। সেই বাতাসা বা মুড়কি চিবুতে চিবুতে কাগজদাদাভাই একের পর এক গল্প ও উপন্যাসের ট্রেলার শুনিয়ে যেতেন।

এমন আরও কতজন বিছড়েটিছড়ে গেছেন। হাজার মানুষের ভীড়েও তাঁদের গলার স্বর বা গল্প বলার ভঙ্গিমাগুলো মনের মধ্যে উঁকি মারে। কিন্তু উঁকি মেরে কোন কাঁচকলাটা হবে? কবি তো নিদান দিয়ে রেখেছেন; যে একবার ফসকেছে, উম্রভর তার নাম পুকারলেও সে আর ফিরবেটিরবে না।

No comments:

দ্য গ্র‍্যান্ড তুকতাক

- কী চাই? - হুঁ? - কী চাই? চাকরীতে টপাটপ প্রমোশন বাগানোর মাদুলি? শুগার কন্ট্রোলে রাখার তাবিজ? হাড়বজ্জাত মানুষজনের বদনজর এড়িয়ে চল...