Skip to main content

ওয়ান ফর দ্য রোড

- ওয়েটার, হুইস্কি লাও।
- সোডা ওয়াটার সাব?
- কাঁহেকা সোডা? কাঁহেকা ওয়াটার? হামকো পাতি বাঙ্গালি সমঝা হ্যায়? বারাফ লাও..বারাফ!
- সাথ মে কুছ স্ন্যাকস মঙ্গাউ সাব?
- স্ন্যাক্স? ইউ মিন চাখনা?
- জী সাব। কেয়া লাউ?
- লাউ চিংড়ি,  মিলেগা ভাইটি?
- জী সাব?
- লাউ চিংড়ি। মিলেগা?
- নহি সাহাব। চিকেন ফ্রাই লাউ?
- যা খুশি দো প্লেট লেকে আনে কা। স্ট্রিক্টলি নন-ভেজ।
- জী সাব।
- আউর সুনো!
- জী সাব?
- আপকা মিউজিক সিস্টেম মে ইয়ে কেয়া গানা বজতা?
- গজল সাব। পঙ্কজ উদাস।
- শ্যামল মিত্তির মাংতা।
- জী সাব?
- শ্যামল মিত্র চলানেকা, আমি চাঁদেরই সাম্পান যদি পাই...যদি পাই...। ঠিক হ্যায়?
- জগজিৎ সিং চলেগা সাব?
- জিন্দেগী ধূপ, তুম ঘনা সায়া?
- জী সাব।

**

- সাব!
- ওয়েটার ভায়া। আউর এক পেগ মাঙতা!
- বার বন্ধ হো গয়া সাব!
- ওহ।
- ইয়ে রহা আপকা বিল সাহাব।
- কেতনা?
- সেভেন্টিন হান্ড্রেড অ্যান্ড থার্টি সাহাব।
- এধর দেখো। এধর।
- কিধর সাব?
- মেরা পাঞ্জাবি কে ডান পকেট। মানিব্যাগ ইধর হ্যায়। নিকালো।
- ইয়ে হ্যায় সাব। মানিব্যাগ।
- উসমে সে চারটে পাঁচশোওলা নোট নিকালনে কা।
- জী সাব।
- আউর সুনো!
- মানিব্যাগ পকেট মে ওয়াপিস রাখনে কা।
- জী সাব। রখ দিয়া।
- আউর সুনো।
- চেঞ্জ ওয়াপিস নহি লানেকা।
- থ্যাংক ইউ সাব।
- ওয়েটার সাব।
- জী সাব?
- আপকা নাম?
- বুলা সিং সাব।
- থ্যাংক ইউ বুলা সিং।
- জী সাব।
- বেস্ট উইকেন্ড বুলা সিং। দি বেস্ট।
- জী সাব।
- থ্যাংক ইউ। ইভিনিং খতম। লেকিন ইয়ে ভালো ফিলিং, উইল নট গো। থ্যাংক ইউ।
- এবারে প্লেট গেলাস সাফ করে নিই বাবা?
- কর লো।
- এখনও হিন্দী?
- চড়ে গেছে রে। তুই যেভাবে বুলা সিংয়ের রোলে সার্ভ করলি। যে ভাবে সোফাটাকে ড্রয়িঙয়ে কনভার্ট করলি। মাস্টারক্লাস। হুইস্কিতে একটা ব্যাপার আছে বুলা সিং। বোতলটা দেখেই মাথায় একটু ঝিম লেগে যায়।
- অনেক হলো। এবার রুহুআফজার বোতলটা ছাড়ো।
- চিকেনটা দিব্যি ভেজেছিলিস।
- থ্যাঙ্ক ইউ সাব।
- হেহ হেহ।
- সোনে চলে সাব?
- ওয়ান ফর দ্য রোড বুলা সিং?
- বার বন্ধ হো গয়া সাব।
- ইউ আর দ্য বেস্ট বুলা সিং।
- ইউ আর দ্য বেস্ট মাতাল বাবা। এভার।
- আই লাভ ইউ বুলা সিং।
- আই লাভ ইউ টু বাবা।
- আই লাভড হার টু বাবু।
- জানি।
- আই অ্যাম সরি, তুই একা আমার পাগলামিতে বড় হলি। নট ফান। আই নো।
- সাব। বার বন্ধ হো গয়া, লেকিন পঁচাশ কা টিপ অউর মিলেগা তো এক পেগ ম্যানেজ হো সকতা হ্যায়।
- তুম লাজওয়াব হো বুলা সিং।
- আপ ভি সাব। আপ ভি।

Comments

Anonymous said…
বংপেনের গপ্পো পিয়ে হয়েছি মাতাআআআল //
আমি হব বুলা সিং, দাদা তুমি পিয়ে হও টাআআল //
খুব জমেগা রঙ -- যদি মিল বয়ঠী দুই ভাই //
সাথে বউদি, বালিশেন্দ্র -- সবেতে সবাই //
বিনা কোহলে অ্যাল-কোলাহল, ফরমুলার জন্য //
"হ্যাআপীইই" বাবু কহেন হেঁকে বংপেন দাদা ধন্য !!
Anonymous said…
mukhe hashi eshe gaelo aapsei - undefined.sengupta

Popular posts from this blog

গোয়েন্দা গল্প

- কিছু মনে করবেন না মিস্টার দত্ত...আপনার কথাবার্তাগুলো আর কিছুতেই সিরিয়াসলি নেওয়া যাচ্ছে না।  - কেন? কেন বলুন তো ইন্সপেক্টর? - ভোররাতে এই থানা থেকে একশো ফুট দূরত্বে ফুটপাথে আপনাকে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকতে দেখা যায়।  - আপনার কনস্টেবল নিজের চোখে দেখেছে তো।  - না না, সে'টাকে আমি কোশ্চেন করছি না। আমি শুধু সামারাইজ করছি। আপনার গায়ে দামী চিকনের পাঞ্জাবী, ঘড়িটার ডায়ালও সোনার হলে অবাক হব না। এ'রকম কাউকে বড় একটা ফুটপাথে পড়ে থাকতে দেখা যায় না। যা হোক। হরিমোহন কনস্টেবলের কাঁধে ভর দিয়ে আপনি থানায় এলেন। জলটল খেয়ে সামান্য সুস্থ বোধ করলেন। অল ইজ ওয়েল। নিঃশ্বাসে অ্যালকোহলের সামান্যতম ট্রেসও নেই। শরীরে নেই কোনও চোট আঘাত।  - আমার কথা আমায় বলে কী লাভ হচ্ছে? আমি যে জরুরী ব্যাপারটা জানাতে মাঝরাতে ছুটে এসেছিলাম...সেই ব্যাপারটা দেখুন...। ব্যাপারটা আর্জেন্ট ইন্সপেক্টর মিশ্র।  - আর্জেন্সিতে পরে আসছি। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ আপনি থানায় ছুটে এসেছিলেন। ওয়েল অ্যান্ড গুড। কিন্তু...ফুটপাথে পড়ে রইলেন কেন...।  - এ'টাই, এ'টাই আমি ঠিক নিশ্চিত নই। মাথাটাথা ঘুরে গেছিল হয়ত। আফটার অল বা

পকেটমার রবীন্দ্রনাথ

১ । চাপা উত্তেজনায় রবীন্দ্রনাথের ভিতরটা এক্কেবারে ছটফট করছিল । তার হাতে ঝোলানো কালো পলিথিনের প্যাকেটে যে ' টা আছে , সে ' টা ভেবেই নোলা ছুকছাক আর বুক ধড়ফড় । এমনিতে আলুথালু গতিতে সে হেঁটে অভ্যস্ত । তাড়াহুড়ো তার ধাতে সয় না মোটে । কিন্তু আজ ব্যাপারটা আলাদা । সে মাংস নিয়ে ফিরছে । হোক না মোটে আড়াই ' শ গ্রাম , তবু , কচি পাঁঠা বলে কথা । সহৃদয় আলম মিয়াঁ উপরি এক টুকরো মেটেও দিয়ে দিয়েছে । তোফা ! নিজের লম্বা দাড়ি দুলিয়ে ডবল গতিতে পা চালিয়ে সে এগোচ্ছিল ।   গলির মোড়ের দিকে এসে পৌঁছতে রবীন্দ্রনাথের কেমন যেন একটু সন্দেহ হল । ঠিক যেন কেউ পিছু নিয়েছে । দু ' একবার ঘাড় ঘুরিয়েও অবশ্য কাউকে দেখা গেলনা । ভাবনা ঝেড়ে ফেলে মাংসের পাকেটটায় মন ফিরিয়ে আনলেন রবীন্দ্রনাথ । বৌ নিশ্চয়ই খুব খুশি হবে আজ । খোকাটাকে যে কদ্দিন মাংসের ঝোল খাওয়ানো হয়নি ।   খাসির রান্নার গন্ধ ভেবে বড় গান পাচ্ছিল রবীন্দ্রনাথের । সে বাধ্য হয়েই একটা কুমার শানুর গাওয়া আশিকি সিনেমার গান ধরলে ।

চ্যাটার্জীবাবুর শেষ ইচ্ছে

- মিস্টার চ্যাটার্জী...। - কে? - আমার নাম বিনোদ। - আমি তো আপনাকে ঠিক...। - আমায় বস পাঠিয়েছেন। - ওহ, মিস্টার চৌধুরী আপনাকে...। - বসের নামটাম নেওয়ার তো কোনও দরকার নেই। কাজ নিয়ে এসেছি। কাজ করে চলে যাব। - আসুন, ভিতরে আসুন। - আমি ভিতরে গিয়ে কী করব বলুন। সৌজন্যের তো আর তেমন প্রয়োজন নেই। আপনি চলুন আমার সঙ্গে। চটপট কাজ মিটে গেলে পৌনে এগারোটার লোকালটা পেয়ে যাব। আমায় আবার সেই সোনারপুর ফিরতে হবে। - যা করার তা কি এ'খানেই সেরে ফেলা যায়না? - এমন কনজেস্টেড এলাকায় ও'সব কাজ করা চলেনা। চুপচাপ ব্যাপারটা সেরে ফেলতে হবে। - প্লীজ দু'মিনিটের জন্য ভিতরে আসুন বিনোদবাবু। জামাটা অন্তত পালটে নিই। - কী দরকার বলুন জামা পালটে। - দরকার তেমন নেই। তবু। ওই, লাস্ট উইশ ধরে নিন। - ক্যুইক প্লীজ। ট্রেন ধরার তাড়াটা ভুলে যাবেন না। আর ইয়ে, পিছন দিক দিয়ে পালাতে চেষ্টা করে লাভ নেই। বসের লোকজন চারপাশে ছড়িয়ে আছে। - ও মা, ছি ছি। তা নয়। আসলে মিতুলের দেওয়া একটা জামা এখনও ভাঙা হয়নি। বাটিক প্রিন্টের হাফশার্ট। একটু ব্রাইট কালার কিন্তু বেশ একটা ইয়ে আছে। ও চলে যাওয়ার পর ও জামার ভাজ ভাঙতে ইচ্ছে হয়নি। কিন্তু...আজ না হয়...। - মিতু