Wednesday, November 28, 2012

বিবাহ বার্ষিকী

“বিবাহ বার্ষিকী”র মধ্যে একটা রবীন্দ্র-জয়ন্তীজাত ব্যাপার ছিলো। এই সেই দিন পর্যন্ত। রবীন্দ্রনাথের ঝাড়-পোছ করা ক্যালেণ্ডার বাঁধানো ছবির মত বউটি সন্ধ্যে থেকে এসো-বসো ভঙ্গিতে প্রস্তুত। রঙিন হাফ পাঞ্জাবিতে পুরোনো হয়ে যাওয়া বর-রূপি ধুপ কাঠি। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের শুভেচ্ছার হারমোনিয়াম।

মরচে পরে যাওয়া কনের মিচকে লাজুক নজরে পড়ে যাওয়া ধ্যাদ্ধেরে বরের লাজুকতর চোখ। পরিচিত হাসি বিনিময়ঘরে বানানো রুইয়ের কালিয়া, ইলিশ ভাপা ও কষা মাংস মাখা আধ-বিয়েবাড়ি গন্ধ। “আশীর্বাদ করি ভালো থেকো দুজনে” থেকে “তোর বউয়ের রান্নার হাত বেশ খোলতাই হয়েছে” লেভেলের উক্তি চাল-চালি তে কেটে যাওয়া সন্ধ্যে।

এই ব্যাপারটাতেই নিউক্লিয়ার রঙ লেগেছে

দুই চাকুরেজীবীর নিভৃত সন্ধ্যেকেক খন্ডন-রেস্তোরার আধো অন্ধকার-গিফ্ট” বিনিময়-এস এম এস বা ফেসবুকের শুভেচ্ছা জমা হওয়াবাবা-মাযের টেলিফোনীও আশীর্বাদ এবং পরিশেষে সাহসী চকাম চুমুবিবাহ-বার্ষিকী তে ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট চলে এসেছে এত সাবলীল ভাবে, আর আমাদের ভয় ওয়াল-মার্ট কে ? ছো:!

No comments: