Thursday, April 19, 2012

যেমন-তেমন

আঁকশি অতি দাপুটে একটি যন্ত্র। নীল-কালির দোয়াত থেকে ড্রপারে করে ফাউন্টেন পেনে রঙ চুষে নেওয়া, সবচেয়ে সাবলীল নষ্টালজিয়াআয়নায় দেখে ডান-দিক বাঁ-দিক গুলিয়ে ফ্যালার হিসেব করবার মত ফুর্তি বিরলসিনেমার শব্দ বন্ধ করে দিয়ে চালিয়ে, শুধু সাব-টাইটেল পড়ে নিজের মনে শব্দ গুছিয়ে নেওয়া এক অতি উত্তেজক খেলাশাল পাতার ফাঁক থেকে খুঁটে আনা ডাল মাখা ভাত অপূর্ব সুস্বাদু। স্কুল-প্রেমিকার ক্লাসে ফেলে যাওয়া ক্লাস-ডাইরীর পাতার ঘ্রাণ বুক ভরে নেওয়ার উত্তেজনা প্রশ্নাতীত। অফিসের টেবিলে বসে পাশের টেবিলে খবরের কাগজের খস-খসয়ের মত দাবীদার ফাঁকির ডাক আর হয় না। চায়ের কাপে বৃষ্টির ফোঁটার মত বিকেলের আলস্যকে আর কেউই ডাকতে পারে না।“মা আসছি”য়ের চেয়ে জমাট প্রতিশ্রুতি আর কীই বা আছে।

হাসিমাখা-অশ্লীলতা বিহীন সমালোচোনা, হাসি ছুড়ে ভাসিয়ে দিতে অক্ষম শাসক-গোষ্ঠীর চেয়ে উঁচু তাঁবু আর কোনও সার্কাসের নেই।   

1 comment:

Unknown said...

Protyekta lekhay to r comment kora jay Na...tai fountain pen er smritimakha lekhatakei bachhlam...apnar angul r mogojastrer preme pore gelam mosai...gachher moto oxygen jugiyei jachchen Mon kharaper din gulote....

ধপাস

সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। বহুক্ষণ পর আমার পড়া একটা প্রবল 'ধপ...