Sunday, April 4, 2021

ইয়ের ইয়ে


সে যাকে বলে এক প্রি-হিস্টোরিক সন্ধ্যে৷
মগজ মাঝেমধ্যে স্মৃতির অ্যালবামে  ব্যাকগ্রাউন্ড-স্কোর জুড়ে দেয়, এ ক্ষেত্রে যেমন জুড়েছে পান্নালালের শীতলপাটি মার্কা গুনগুন - "যেথা আছে শুধু ভালোবাসাবাসি, সেথা যেতে প্রাণ চায় মা"। 

সে'দিন৷ ঘাসের ওপর হাত-পা ছড়িয়ে, দু'চারজন বন্ধুর সঙ্গে বেশ রগরগে পলিটিকাল আড্ডা জমেছিল। সে ঘাসের গন্ধের সঙ্গে বিকেলের ফিনফিনে হাওয়া আর কাগুজে কাপের কফির সুবাস মিলেমিশে মনের মধ্যে আলসেমির এক প্রকাণ্ড ডাইনোসর তৈরী হয়েছে৷ 

দুম করে, গা-জোয়ারী গল্প-আড্ডা-তর্কাতর্কি থামিয়ে, পাশে বসা এক বন্ধু হঠাৎ বলে উঠেছিল "কলকাতা আমরা নিয়ে যতই গজরগজর করি, শহরটার মধ্যে বেশ আলাদাই একটা ইয়ে  আছে, তাই না রে ভাই"? এদ্দিন পর হঠাৎ সেই ইয়ের উল্লেখ মনে পড়ায় বুকের মধ্যে বেশ একটু মনোরম ইয়ে তৈরি হল। পাশাপাশি মনকেমন৷ 

প্রতিটি শহর, গাঁ, পাড়া, গলি, পার্কের বেঞ্চি, ঘাটের সিঁড়ি বা ছাতের কোণেরই একটা নিজস্ব ইয়ে রয়েছে, সম্ভহবত।  সে ইয়ের নাগাল একবার পেলেই ভালোবাসিয়েরা বর্তে যান, বরফিস্টরা গলে হদ্দ হয়ে বয়ে যান, পাথুরিয়াঘাটা-মুখো মিনিবাস কুসুমুপুরে এসে জিরোয়৷ সে ইয়ে স্পর্শ করতে পারলেই এস্পারওস্পার৷

No comments:

ওই মেজদাদা

- এই যে, চাঁদু৷ ইদিকে এসো দেখি মাল৷  - আমায় ডাকছেন?  - ওরে আমার নেকুচাঁদ হুশিয়ার রে৷ রাস্তায় এখন আর আছেটা কে। আয় দেখি ইদিকে।  - ...