Friday, March 23, 2018

মুকাবলা

- গুরুদেব!
- আবার কী হল বাবা অর্জুন।
- এই দেখুন না গুরুদেব, একলব্যটা ফের বাড়াবাড়ি শুরু করেছে।
- ওই ব্যাটাচ্ছেলে লোয়ার ক্লাস ছেলেটা?
- আজ্ঞে। আমায় কী ইনসাল্টটাই না করলে।
- তোমার মত এলিটকে ইনসাল্ট করেছে?
- রীতিমত।
- কী'ভাবে? সমস্ত রিসোর্স তো আমি তোমার দিকেই ডাইভার্টেড রেখেছি। সে ব্যাটা ইনসাল্ট করার সুযোগ পায় কী করে?
- হস্তিনাপুর আপনাকে যে সিটিসি অফার করেছে, সে টাকা দিয়ে আমায় খান কুড়ি গেমিং কনসোল কিনে দিলে ল্যাঠা চুকে যেত।
- আহ চটছ কেন বাবু। খুলে বলই না! একলব্য তোমায় কীভাবে কাঠি করেছে?
- কাঠি? গদার গুঁতো মেরেছে পিছনে।
- আহ্। অর্জুন। ল্যাঙ্গুয়েজ সামলে। আমি গুরুজন।
- ধ্যাত্তেরি। গুরুজনে নিকুচি করেছি। একলব্যর বদমায়েসির চোটে আমার রয়্যাল এলিট শরীর ঘিনঘিন করছে।
- করেছেটা কী?
- চাকরবাকর মানুষ, লোহালক্কড় অস্ত্রটস্ত্র আমার চেয়ে না হয় একটু ভালো চালায়। তাই বলে আমার টিপ সামান্য এ'দিক ও'দিক হয়েছে বলে আমায় মিডল ফিঙ্গার দেখাবে?
- সর্বনাশ! বলো কী!
- কী অপমান। ছি ছি। আদিবাসীর পো কিনা রাজপুত্রকে মিডল ফিঙ্গার দেখায়?
- বেশ। ওকে শায়েস্তা আমি করব। অড নাম্বারের মিডল হয়, ইভেন নাম্বারে মিডল পাবে কোথায়? বাপের জন্মে আর কাউকে মিডল ফিঙ্গার দেখাতে যাতে সে না পারে, সে ব্যবস্থা আমি করে দেব।
- যাক। সে কথাই রইল। আর ইয়ে, রিপোর্টারদের বলে দেবেন আমার টিপ মিস করার গল্পটা একটু অন্যভাবে প্রেজেন্ট করতে। বিশেষত ওই বুড়ো রিপোর্টারটা একটু ঢ্যাঁটা, কী যেন নাম? ওই ব্যাস না কী যেন, ওর জার্নালে যেন আমার ব্যাপারে আজেবাজে কিছু না লেখা থাকে, কেমন? দেখে নেবেন, এখন আমি আসি। ডিডি মেট্রোতে সুপারহিট মুকাবলা শুরু হল বলে।

No comments:

ধপাস

সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। বহুক্ষণ পর আমার পড়া একটা প্রবল 'ধপ...