Tuesday, April 26, 2016

কলকাতাবাবুর ৯

শাওয়ারের জলে বাসন মাজতে বসা কলকাতাবাবুর পুরোনো অভ্যাস।

কলকাতাবাবু ভাবছিলেন; এত অল্প আলাপে চুমু খেতে যাওয়া ঠিক হবে? সাত পাঁচ ভেবে তিনি সাহস করে জিজ্ঞেস করেই ফেললেন; "আপনার এগরোলে টমেটো সস চলে?"।

ডাইনিং টেবিলের চেয়ার বাবু হয়ে না বসলে কলকাতাবাবুর ভাত পানসে লাগে, ঝোলকে মনে হয় জল।

কলকাতাবাবু জানেন, পরীক্ষার হলে পাশবালিশ নিয়ে ঢোকা অ্যালাউ করলে তার অঙ্কে লেটার কেউ আটকাতে পারতো না। কেউ না।

কলকাতাবাবু খামকে ভয় পান। পোস্টকার্ডকে স্নেহ করেন।

কলকাতাবাবু বাসের জানালার জন্য জান কবুল করতে পারেন। এয়ার কন্ডিশনারের হাওয়া আবার ধাতে আর টনসিলে সয় না।

ভূতে বিশ্বাস করা মগজ ও ভূতে ভয় না পাওয়া হৃদয়;
দু'টোকেই সমান তালে ঘৃণা করেন কলকাতাবাবু।

বাড়ি থেকে বাজারের রাস্তাটাকে কাল্পনিক ট্রেডমিল বলে কাছে টেনে নিয়েছেন কলকাতাবাবু। বাজার ফেরতা ব্যাগজোড়া তার মননের ডাম্বেল।

বিয়েবাড়ির মেনুকার্ডগুলোকে সযত্নে পুষে রাখেন কলকাতাবাবু, বুকমার্ক হিসেবে ওরা অতি চমৎকার।

No comments:

তিব্বতি মাদুলি

- মনখারাপ? - আজ্ঞে। প্রচণ্ড। টেরিফিক লেভেলে মনখারাপ। - সে তো বুঝলাম। কিন্তু কেন? জয়েন্টে ফেল? মিনিবাসের পকেটমারিতে সত্তর টাকা জল...