Friday, August 14, 2015

একটা প্রেমের গল্প

-লেঙ্গি খেয়েছিস? ফের?

-ফের।

-এহ হে! শেষ পর্যন্ত সুস্মিতাও দাগা দিলে?

-দিলে।

-কী আর করবি! সিগারেট দেবদাস হয়ে যা। ধোঁয়ায় যন্ত্রণা উড়িয়ে দেয়ে। সুপ্রাচীন বিশল্যকরণী। 
-সিগারেট? সেটুকুই আছে হয়তো। তবে পাতি সিগারেটে বুকের এ ব্যথা যাবে না রে।
-স্পেশ্যাল সিগারেট? কী রকম?
-বোরোলিন ফ্লেভারের সিগারেট হয় না?

**

-এবার প্রেমে। সিওর।

-এ তোর রোজকার বাতেলা। ভাগ।

-মাইরি। একে না পেলে ভেঙ্গে পড়ব।

-ভাগ ভাগ।

-এই দ্যাখ। ব্লেড। দাড়ি কাটিনি এ ব্লেডে। পকেটে নিয়ে ঘুরছি। বুক হাউহাউ করে উঠলেই হাত কেটে নাম লিখব : শ্রাবণী।
-শ্রাবণী? তা তার পয়জনটা কী? ডানাকাটা পরী না কাটারি সেন্স অফ হিউমর?
-নান। ওসব ক্যাপিটালিস্ট অ্যাটিটিউডে প্রেমিকা মেপেই তুই শেষ হলি।
-কেন? শ্রাবণী কি লেনিনগ্রাদ থেকে এসেছে?
-চুপ কর। অমন মেয়ে পেলে তুই ধন্য হয়ে যেতিস।
-কেন, এমন কীসে?
-আজ দেখা, দেলখোশায়। কোণাকুণি টেবিলে। প্রেসির ফিলোসফি। আড়ি পেতে বুঝলাম। চোখের সামনে গপাগপ কবিরাজি সাবাড় করে চললে; তিন প্লেট- ব্যাক টু ব্যাক। শেষে হুড়মুড় করে বিল মিটিয়ে দৌড় লাগালে ফুচকা খাবে বলে। শোন, ও মেয়েকে না পেলে আমি মারা যাব।

**

হার্ট শেপের গোলাপ তোড়া হাতে সামান্য অস্বস্তিইই হচ্ছিল মিত্রবাবুর। প্রেমে মাখামাখির অবশ্য কোন বয়স হয় না। তাছাড়া পরকীয়া তো আর নয়। তবে এতদিনে একবারও তো শ্রাবণীকে এমন রোম্যান্টিক সারপ্রাইজ দেওয়া হয়নি। শেষে আশিতে এসে এমন গদগদে একপ্রেশনটা ভীমরতি বলে আইডেন্টিফাইড হবে না তো? খোকা বৌমা আড়ালে হাসবে না তো? পাঞ্জাবিতেতে পারফিউম কি বেশি মাত্রায় ছড়ানো হয়ে গেছে?

"যাক গে", অস্বস্তি ঝেড়ে ট্যাক্সি থামালেন মিত্রবাবু; "চলো হে, ক্যাঁওড়াতলা"।

No comments:

পতাকা আর চীফগেস্ট

- এই যে। দত্তবাবু। কাল সোয়া সাতটার মধ্যে আসছেন কিন্তু। পৌনে আটটায় বড়সাহেব এসে পৌঁছবেন৷ ফ্ল্যাগ হয়েস্টিং আটটায়। - ধুস। পনেরোই অগস...