Wednesday, December 26, 2012

হাফ-সোয়েটারের ব্যাপার

“অল্প শীতে হাফ সোয়েটার এবং দড়াম শীতে ফুলভারী অপরূপ যুক্তিঅর্থাত্‍ অল্প শীত আমাদের হাত দুটো টের পায় না, শুধু বুক টের পায় এ দুই হাতের শীতানুভূতি কী ভীষণ ভাবে কম ? বাহা যুক্তি

শুধু হৃদয় বাঁচালেই হবে ? বাইসেপয়ে কী ইমোসন  নেই ? ট্রাইসেপ কী অভিমান-হীন  ?এমন সপাট কব্জির কী ঠান্ডায় ককিয়ে উঠতে নেই ? কনুই মানেই কী বেওয়ারিস আঁকশি ? বুক-পিঠ মুড়ে রেখে, হাতকে নভেম্বরের হাতে অসহায় ছেড়ে দিতে আমাদের একটুও বাঁধে না ? সেই কবে ডিসেম্বরে শীত কড়া হবে বাংলায়, তবে গিয়ে হাফ-সোয়েটারয়ের পালা চুকে ফুল-সোয়েটার এসে হাতের জান বাঁচাবে ।
নিজেকে জগন্নাথ করে রাখার এই মন-বৃত্তি আমাদের কাঁটিয়ে উঠতে হবে। বাঁচতে হবে। সোয়েটার হবে তো ফুল নয়তো হবে না। গ্রিটিংস কার্ডের মতই, হাফ-সোয়েটার একটি ফ্যাশন-ব্যবসার ইনডাষ্ট্রীয়াল ভাঁওতা মাত্র ”

-          -   শ্রী শ্রী ছোটমামা কথিত ( কেন তিনি হাফ-সোয়েটার পড়েন না; এ প্রশ্নের উত্তর দিতে। জন-স্বার্থে ব্লগে টুকে রাখা হলো )

ধপাস

সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। সাঁইসাঁই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। পড়ছি তো পড়ছিই। বহুক্ষণ পর আমার পড়া একটা প্রবল 'ধপ...